ক্রিস হেমসওয়ারথ এবং রাসেল ক্রো। ছবি: সংগৃহীত

ক্রাইস্টচার্চ মসজিদে সন্ত্রাসী হামলায় হলিউড তারকাদের নিন্দা

অস্কারজয়ী অভিনেতা রাসেল ক্রো, পরিচালক তাইকা ওয়াতিতি, অভিনেতা স্যাম নিল, ক্রিস হেমসওয়ারথসহ অনেকে হামলার পরপর শোক ও ক্ষোভ জানিয়েছেন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে।

শামীমা সীমা
সহ সম্পাদক
প্রকাশিত: ১৭ মার্চ ২০১৯, ২১:০৯ আপডেট: ১৭ মার্চ ২০১৯, ২১:০৯
প্রকাশিত: ১৭ মার্চ ২০১৯, ২১:০৯ আপডেট: ১৭ মার্চ ২০১৯, ২১:০৯


ক্রিস হেমসওয়ারথ এবং রাসেল ক্রো। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের দুই মসজিদে গত শুক্রবার (১৫ মার্চ) নৃশংস সন্ত্রাসী হামলায় তিন বাংলাদেশিসহ ৪৯ জন নিহত হয়। শুক্রবার নিউজিল্যান্ড সময় দুপুর দেড়টার দিকে নামাজের সময় নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের আল নূর ও লিনউড মসজিদে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা প্রকাশ করেন বিশ্বের সকল শান্তিপ্রিয় মানুষ। একই সঙ্গে প্রতিবাদে মুখর হন হলিউড তারকা রাসেল ক্রো এবং ক্রিস হেমসওয়ারথসহ একাধিক শিল্পী।

অস্ট্রেলিয়া থেকে আসা ২৮ বছর বয়সী এক শ্বেতাঙ্গ সন্ত্রাসী ব্রেন্টন টারান্ট হামলার ঘটনাটি ফেসবুকে লাইভ করে মানুষ হত্যা করতে থাকেন। এই ঘটনাটি নিয়ে দেশের তারকারাও ফেসবুকে সরব হন প্রতিবাদ জানিয়ে। বলিউড তারকারাও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে নিন্দা জানিয়ে পোস্ট করেন। ক্রাইস্টচার্চে প্রার্থনারত পবিত্র মানুষদের ওপর এমন জঙ্গি হামলায় ঘৃণা ও তীব্র নিন্দা প্রকাশ করেছেন হলিউড তারকারাও।

হলিউড তারকাদের মধ্যে রয়েছেন নিউজিল্যান্ডের অস্কারজয়ী অভিনেতা রাসেল ক্রো, পরিচালক তাইকা ওয়াতিতি, অভিনেতা স্যাম নিল, ক্রিস হেমসওয়ারথসহ অনেকে। হামলার পরপর তারা শোক ও ক্ষোভ জানিয়েছেন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে। অস্কারজয়ী অভিনেতা রাসেল ক্রো হামলার বিষয়ে জানার পর পরই তিনি নিজের টুইটারে লিখেছেন, ‘প্রাথর্নারত ৪০ জন নিহত হলেন। এটা নির্বোধের মতো, নিরর্থক ও নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ড। আমার হৃদয় কাঁদছে। এ ঘটনা নিউজিল্যান্ডের বাসিন্দা হয়ে মেনে নেওয়ার মতো নয়। নিউজিল্যান্ডবাসী এ ঘটনার অসহ্য ক্ষত কয়েক যুগ বয়ে বেড়াবে। এখন রুখে দাঁড়ানোর সময়।’

রাসেল ক্রোর জন্ম ওয়েলিংটনে। তবে তিনি বড় হয়েছেন অস্ট্রেলিয়াতেই। এ ছাড়া অস্ট্রেলিয়ান অভিনেতা ক্রিস হেমসওয়ারথ টুইটারে গভীর শোক প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘নিউজিল্যান্ডের জন্য ভালোবাসা। এই হামলায় আক্রান্তদের পরিবার, বন্ধু ও আত্মীয়দের জন্য আমার হৃদয় কাঁদছে।’

জানা গেছে, নিউজিল্যান্ড হামলায় নিহতদের মধ্যে তিন বছরের শিশু থেকে ৭৭ বছর বয়সী বৃদ্ধও রয়েছেন। গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি অন্তত ৪৮ জন, এদের মধ্যে ১১ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। নিখোঁজ রয়েছেন আরও কয়েকজন। শান্তিময় দেশ নিউজিল্যান্ডের এ ঘটনায় হতবিহ্বল সে দেশের জনগণ। সমবেদনা জানাতে তারা যেন ভাষাহীন। আগে কখনও এরকম পরিস্থিতি পড়তে হয়নি তাদের।

সেদিন অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান বাংলাদেশের জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা। তারা অনুশীলন শেষ করে জুম্মার নামাজ আদায় করার জন্য ক্রাইস্টচার্চ মসজিদে পৌঁছানো মাত্র গোলগুলি শুরু হয়। তবে কয়েক মিনিটের ব্যবধানে তারা প্রাণে বেঁচে যান। হামলার কারণে শনিবার থেকে শুরু হতে যাওয়া বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার তৃতীয় ও শেষ টেস্ট বাতিল করা হয়েছে। সে রাতেই দেশে ফিরছেন টাইগাররা।

সূত্র: ডেইলি মেইল

প্রিয় সংবাদ/কামরুল

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...