হেলিকপ্টার। ফাইল ছবি

হেলিকপ্টারেই গুলিবিদ্ধ তৈয়ব আলীর মৃত্যু

ঘটনাস্থলেই প্রিজাইডিং অফিসার আবদুল মান্নান, পোলিং অফিসার আমির হোসেন, আনসার ভিডিপির সদস্য আলামিন, বিলকিস ও মিহির কান্তি দত্ত নিহত হন।

মোক্তাদির হোসেন প্রান্তিক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৯ মার্চ ২০১৯, ০৯:৩৮ আপডেট: ১৯ মার্চ ২০১৯, ০৯:৩৮
প্রকাশিত: ১৯ মার্চ ২০১৯, ০৯:৩৮ আপডেট: ১৯ মার্চ ২০১৯, ০৯:৩৮


হেলিকপ্টার। ফাইল ছবি

(প্রিয়.কম) রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে সন্ত্রাসীদের ব্রাশফায়ারে গুলিবিদ্ধ ১১ জনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৭ জন। নিহত ওই ব্যক্তির নাম তৈয়ব আলী। তিনি স্থানীয় একটি মাদ্রাসার শিক্ষক বলে জানা গেছে।

১৮ মার্চ, সোমবার রাতে আহত ১১ জনকে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে হেলিকপ্টারে করে চট্টগ্রামের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নেওয়ার পথে তৈয়ব আলী মারা যান।

রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাদের বহনকারী হেলিকপ্টারটি চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্টে পৌঁছায়। এদিকে আহত অপর ১০ জনকে চট্টগ্রাম সিএমএইচে ভর্তি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ভোট বর্জনকারী বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলোই এ হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কোনো গাফিলতি ছিল কি না সে ব্যাপারে খতিয়ে দেখা হবে বলেও জানান তিনি।

গতকাল সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ভোট গ্রহণ শেষে ব্যালট বাক্সসহ নির্বাচনী সরঞ্জাম নিয়ে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার কংলাক, মাথালং ও বাঘাই হাট নামে ৩টি ভোট কেন্দ্র থেকে উপজেলা সদরে ফিরছিলেন ভোট গ্রহণ কর্মকর্তারা। তারা নয়মাইল এলাকায় পৌঁছালে রাস্তার পাশের পাহাড় থেকে তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় গাড়িতে থাকা লোকজনের প্রায় সবাই গুলিবিদ্ধ হন। ঘটনাস্থলেই প্রিজাইডিং অফিসার আবদুল মান্নান, পোলিং অফিসার আমির হোসেন, আনসার ভিডিপির সদস্য আলামিন, বিলকিস ও মিহির কান্তি দত্ত নিহত হন।

এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধসহ আহত হন আরও ২৬ জন।

প্রসঙ্গত ১৮ মার্চ সারাদেশে পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে ১১৬টি উপজেলায় ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

প্রিয় সংবাদ/আশরাফ

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...