এবার গরুর প্রতি মানুষের বর্বরতা নিয়ে মুখ খুলেছেন রুবেল হোসেন। ছবি: সংগৃহীত

‘মানুষ কীভাবে গবাদি পশুদের এরকম পৈশাচিক অত্যাচার করতে পারে’

গরুর চোখে মরিচ গুজে দেওয়ার কারণটাও খোলাসা করেছেন জাতীয় দলের ডানহাতি এই পেসার।

মুশাহিদ
সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ১৯ মার্চ ২০১৯, ১২:৫৭ আপডেট: ১৯ মার্চ ২০১৯, ১২:৫৭
প্রকাশিত: ১৯ মার্চ ২০১৯, ১২:৫৭ আপডেট: ১৯ মার্চ ২০১৯, ১২:৫৭


এবার গরুর প্রতি মানুষের বর্বরতা নিয়ে মুখ খুলেছেন রুবেল হোসেন। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকটাই সরব জাতীয় দলের পেসার রুবেল হোসেন। প্রায়ই বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিষয় নিয়ে তাকে ফেসবুকে পোস্ট দিতে দেখা যায়। এবার অভিজ্ঞ এই পেসার মুখ খুললেন গরুর প্রতি মানুষের বর্বরতা নিয়ে।

ভারত থেকে গবাদি পশু তথা গরু আমদানি নতুন কোনো ঘটনা নয়। বিশেষ করে মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় পবিত্র ঈদুল আজহার সময় গরু আমদানি ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পায়। তবে গরু আমদানির সময় তাদের প্রতি যে পৈশাচিক অত্যাচার করা হয় সেটা অনেকেরই অজানা।

ভারতের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে মূলত ট্রাকে করে এই গরুগুলো নিয়ে আসা হয়। ভারত থেকে গরু নিয়ে আসার জন্য একেকটি ট্রাকের প্রায় দেড়-দুই দিন লেগে যায়। এই দীর্ঘ সময়টাতে গরুগুলো যেন ঘুমিয়ে না পড়ে এজন্য তাদের চোখে মরিচ গুজে দেওয়া হয়। গরুর প্রতি মানুষের এমন নিকৃষ্টতম আচরণ নিয়ে এবার সোচ্চার হয়েছেন রুবেল।

ফেসবুকে নিজের ভেরিফাইড পেজ থেকে ক্রন্দনরত গরুর চোখ ও ট্রাকভর্তি গরুর ছবি পোস্ট করে রুবেল লিখেন, ‘কী ভয়াবহ! মানুষ কীভাবে গবাদি পশুদের এরকম পৈশাচিক অত্যাচার করতে পারে!’

ফেসবুকের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থেকে দেওয়া ওই পোস্টে রুবেল আরও লেখেন, ‘বাংলাদেশে যেভাবে গরু পরিবহন করা হয় তা রীতিমত ফৌজদারি অপরাধের পর্যায়ে পড়ে। এই ছবিগুলো দেখাচ্ছে এই অপরাধ কতটা ভয়বহ! গরুগুলো যেন ট্রাকে শুয়ে না পড়ে সে জন্য তাদেরকে জাগিয়ে রাখতে চোখের ভেতর মরিচ ভেঙে গুজে দেওয়া হয়েছে!’

গরুর চোখে মরিচ গুজে দেওয়ার কারণটাও খোলাসা করেছেন জাতীয় দলের ডানহাতি এই পেসার। তিনি আরও লেখেন, ‘কারণ একটি গরু শুয়ে পড়লে দুটি গরুর জায়গা দখল হবে। ভারতের বর্ডার থেকে প্রায় দেড়-দুই দিন এভাবে গরুগুলো ট্রাকে দাঁড়িয়ে থাকে। এ ধরনের নিকৃষ্টতম বীভৎসতা কেবল মানুষের পক্ষে দেখানো সম্ভব। এসব ইতরদের শাস্তির জন্য কি আইন আছে জানি না। তবে তারা যে চরম শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। এটা শাস্তিযোগ্য অপরাধ সেটাই জনগণের অনেকে বোঝে না।’

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...