পঞ্চম উপজেলা নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে এসে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের লোগোটি সংগৃীত

কঠোর অবস্থানে ইসি: তিন উপজেলার ইউএনও প্রত্যাহার

নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে চট্টগ্রামের লোহাগড়া, খুলনার কেশবপুর ও রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করেছে ইসি।

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ২৩ মার্চ ২০১৯, ২১:০৩ আপডেট: ২৩ মার্চ ২০১৯, ২১:০৩
প্রকাশিত: ২৩ মার্চ ২০১৯, ২১:০৩ আপডেট: ২৩ মার্চ ২০১৯, ২১:০৩


পঞ্চম উপজেলা নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে এসে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশনের লোগোটি সংগৃীত

(প্রিয়.কম) পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপের নির্বাচনের আগমুহূর্তে কঠোর অবস্থান নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে তিন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) প্রত্যাহার করেছে ইসি। একই সঙ্গে তৃতীয় ধাপের এই ভোটের আগে চার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকেও (ওসি) প্রত্যাহার করা হয়েছে।

আগামীকাল (২৪ মার্চ) দেশের ১১৭টি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে যেকোনো ধরনের অনিয়ম ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঠেকাতে ফোর্স মোতায়েনের কথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এর অংশ হিসেবে দেশের ২৪টি উপজেলায় অতিরিক্ত বিজিবি, র‌্যাব, পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেট মোতায়েন থাকবেন।

নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে চট্টগ্রামের লোহাগড়া, খুলনার কেশবপুর ও রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করেছে ইসি। 

২৩ মার্চ, শনিবার নির্বাচন-পূর্ব এক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ এসব তথ্য জানান।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের মিডিয়া সেন্টারে অনুষ্ঠিত এ সংবাদ সম্মেলনে সচিব বলেন, ‘নির্বাচনি এলাকাগুলোতে আজ (শনিবার) সারা দিন খবর নিয়েছি। যেখানে যেখানে নির্বাচনে অনিয়ম হওয়ার সম্ভাবনা আছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কা রয়েছে, সেসব উপজেলায় আমরা অতিরিক্ত বিজিবি ও ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করেছি।’

তিনি বলেন, ‘যেখানেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাচ্ছি, ওইসব উপজেলা থেকে আমরা তাদের তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কোনো অভিযোগ প্রাথমিক তদন্তে সত্য প্রমাণিত হলে আমরা তাদের প্রত্যাহার করছি। ইতোমধ্যে আমরা তিন জন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করেছি। বেশ কিছু ওসি ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদমর্যাদার কর্মকর্তাকেও দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছি।’

এই ধাপে মাদারীপুরের রাজৈর, চট্টগ্রামের লোহাগড়া এবং চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ ও কচুয়ার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

ইসি সচিব বলেন, ‘আমরা তৃতীয় ধাপের ২৪টি উপজেলায় অতিরিক্ত বিজিবি নিয়োগি করেছি। যেখানে প্রয়োজন, আমাদের কাছে টেলিফোনিক বার্তা এলেই বিজিবির সঙ্গে কথা বলে ওইসব উপজেলাতে অতিরিক্ত বিজিবি নিয়োগ করে দিচ্ছি। রংপুরের মিঠাপুকুরে আমরা পাঁচ প্লাটুন বিজিবি এবং সাত প্লাটুন র‌্যাব ও ১৭ জন ম্যাজিস্ট্রেট মোতায়েন করেছি। আমরা যেসব উপজেলাতে ন্যূনতম অনিয়ম বা বিশৃঙ্খলার সম্ভাবনা আছে, ওইসব এলাকায় অতিরিক্ত নজর দিচ্ছি।’

২৪ মার্চ, রবিবার দেশের ১১৭টি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

প্রিয় সংবাদ/কামরুল/আজাদ চৌধুরী

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...