নরেন্দ্র মোদির ভূমিকায় বিবেক ওবেরয়। ছবি: সংগৃহীত

নরেন্দ্র মোদির বায়োপিকের মুক্তি নিয়ে সংশয়

আসন্ন লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও সম্প্রতি এই বায়োপিকের মুক্তি নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।

শামীমা সীমা
সহ সম্পাদক
প্রকাশিত: ২৪ মার্চ ২০১৯, ১৩:৫৩ আপডেট: ২৪ মার্চ ২০১৯, ১৩:৫৩
প্রকাশিত: ২৪ মার্চ ২০১৯, ১৩:৫৩ আপডেট: ২৪ মার্চ ২০১৯, ১৩:৫৩


নরেন্দ্র মোদির ভূমিকায় বিবেক ওবেরয়। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) শুরু থেকেই বিতর্কের বেড়াজালে আটকে ছিল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বায়োপিক। উমাঙ্গ কুমার পরিচালিত এই সিনেমায় মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছেন বিবেক ওবেরয়। দর্শকদের দাবি ছিল, বিবেককে মোটেও মোদির মতো দেখাচ্ছে না। তবুও দমে যাননি নির্মাণ সংশ্লিষ্টরা। সিনেমার কাজ শেষ করে মুক্তির তারিখ দেওয়া হয়েছে আগামী ৫ এপ্রিল। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও সম্প্রতি এই বায়োপিকের মুক্তি নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।

নির্বাচনি আচরণবিধির কারণে প্রধানমন্ত্রীর জীবনী নিয়ে তৈরি সিনেমা ‘পিএম নরেন্দ্র মোদি’ ৫ এপ্রিল মুক্তি পেতে পারে কি না, খতিয়ে দেখছে নির্বাচন কমিশন। সেন্সর বোর্ডের দ্বারস্থ হয়েছেন তারা। আচরণবিধি সত্ত্বেও বায়োপিকের বিজ্ঞাপন সংবাদপত্রে প্রকাশ হওয়ায় সংশ্লিষ্ট পত্রিকাকে ইতোমধ্যেই কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন পূর্ব দিল্লি লোকসভা কেন্দ্রের রিটার্নিং অফিসার।

বিবেক ওবেরয় নরেন্দ্র মোদির ৯টি রূপে। ছবি: সংগৃহীত

বিজ্ঞাপনটি কমিশনের অনুমতি নিয়ে ছাপা হয়েছে কি না, তা জানতে চাওয়ার সঙ্গেই সেটির জন্য খরচ হওয়া অর্থ পূর্ব দিল্লি কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থীর খরচের সঙ্গে জুড়তে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। যেখানে বিজ্ঞাপন ঘিরেই প্রশ্ন, তখন সিনেমাটি ভোটের সময় মুক্তির আলো দেখবে কি না, তা নিয়ে রীতিমতো সংশয় তৈরি হয়েছে।

এদিকে বায়োপিকের মুক্তি আটকাতে কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে কংগ্রেস ও ডিএমকে। সরব সিপিএমও। ট্রেলারেই ইঙ্গিত, মোদির জীবনের নানা দিক, সঙ্ঘের সঙ্গে তার সম্পর্ক, গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থেকে প্রধানমন্ত্রীর হওয়ার যাত্রাপথকে তুলে ধরা হয়েছে সিনেমায়। পাক মদতপুষ্ট সন্ত্রাসের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দিতেও দেখা গিয়েছে ‘মোদিকে’। বিরোধীদের বক্তব্য, এটা আদতে মোদি ও বিজেপির পরোক্ষ প্রচার। ভোটের সময়ে এ ধরনের সিনেমা কীভাবে বন্ধ করা যায়, তা নিয়ে এখন দ্বিধায় কমিশন। বিষয়টি নিয়ে কমিশন সেন্সর বোর্ডের সঙ্গে কথা বলেছে। কারণ বর্তমান আইন অনুযায়ী, কোনো সিনেমা একবার সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র পেয়ে গেলে তা বন্ধ করার ক্ষমতা কারো নেই।

নরেন্দ্র মোদির ভূমিকায় বিবেক ওবেরয়। ছবি: সংগৃহীত

এদিকে রয়েছে আরেক বিতর্ক। শুক্রবারই জাভেদ আখতার বিরক্তির সঙ্গে জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বায়োপিকের সঙ্গে কোনোভাবেই তিনি যুক্ত নন। লেখেননি সিনেমার কোনো গানও। তার রেশ মিটতে না মিটতেই শনিবার বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন গীতিকার সমীর। জাভেদ আখতারের মতো তার নামও আসে পোস্টারে। বিষয়টি নজরে আসতেই সমীরও স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, এই সিনেমার জন্যে কোনো কাজই করেননি তিনি। তিনি আরও জানান, এই বিষয়ে প্রযোজক সন্দীপ সিংয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও কোনো লাভ হয়নি।

গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রীত্ব থেকে ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের পর প্রধানমন্ত্রীর জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলকগুলি দেখানো হয়েছে এই বায়োপিকে। এই বায়োপিকে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিবেক ওবেরয়। এ ছাড়া রয়েছেন বোমান ইরানি, মনোজ যোশী, বরখা মুখার্জি প্রমুখ। সুরেশ ওবেরয় ও আনন্দ পণ্ডিত প্রযোজনা করেছেন সিনেমাটি।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

প্রিয় বিনোদন/রুহুল

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

কৈশোরে কেমন ছিলেন বরুণ

প্রিয় ১৪ ঘণ্টা, ৩৩ মিনিট আগে

loading ...