তৃতীয় ধাপে ১২৭ উপজেলায় তফসিল ঘোষণা করা হলেও ১১৭ উপজেলায় ভোট হয়েছে।

ভোট শেষে চলছে গণনা

নির্বাচনে ৩৪০ জন চেয়ারম্যান পদে, ৫৮৪ জন ভাইস চেয়ারম্যান পদে ও ৩৯৯ জন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ২৪ মার্চ ২০১৯, ১৭:৪৫ আপডেট: ২৪ মার্চ ২০১৯, ১৭:৪৫
প্রকাশিত: ২৪ মার্চ ২০১৯, ১৭:৪৫ আপডেট: ২৪ মার্চ ২০১৯, ১৭:৪৫


তৃতীয় ধাপে ১২৭ উপজেলায় তফসিল ঘোষণা করা হলেও ১১৭ উপজেলায় ভোট হয়েছে।

(প্রিয়.কম) পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপের ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে টানা বিকেল ৪টা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ শেষে এখন চলছে গণনা। 

২৪ মার্চ, রবিবার ২৫ জেলার মোট ১১৭ উপজেলায় এ ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রবিবার সকাল থেকে বিভিন্ন উপজেলার বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে সংঘর্ষের ঘটনায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ কয়েকজনের আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ ছাড়া তিনটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ বাতিল ও একটি কেন্দ্র স্থগিত করা হয়েছে। আগের দুই ধাপের মতো উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে তৃতীয় ধাপেও ভোটার উপস্থিতি ছিল বেশ কম।

ভোটের এলাকায় ঘোষণা করা হয়েছে সাধারণ ছুটি। যান চলাচলেও দেওয়া হয়েছে নিষেধাজ্ঞা।

এর আগে দুই ধাপে ভোট হলেও সেখানে কেন্দ্রগুলোতে ভোটারের উপস্থিতি আশানুরূপ ছিল না। এ ছাড়া স্থানীয় এমপিদের একের পর এক আচরণবিধি লঙ্ঘন ও নির্বাচনে প্রভাব ঠেকাতে বেগ পেতে হচ্ছে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি)।

ইসির তথ্যমতে, রবিবারের নির্বাচনে ৩৪০ জন চেয়ারম্যান পদে, ৫৮৪ জন ভাইস চেয়ারম্যান পদে ও ৩৯৯ জন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এ ছাড়া ৫৫ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়লাভ করেছেন। তাদের মধ্যে ৩৩ জন চেয়ারম্যান, ৯ জন ভাইস চেয়ারম্যান এবং ১৩ জন নারী ভাইস চেয়ারম্যান রয়েছেন।

তৃতীয় ধাপে ১২৭ উপজেলায় তফসিল ঘোষণা করা হলেও ১১৭ উপজেলায় ভোট হয়েছে। কক্সবাজারের কুতুবদিয়া ও চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার ভোট আদালতের আদেশে স্থগিত হয়েছে। নরসিংদী ও কক্সবাজার জেলা সদরের ভোট তৃতীয় ধাপ থেকে স্থানান্তর করে চতুর্থ ধাপে নিয়েছে ইসি।

অন্যদিকে বরিশালের গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া, মাদারীপুর জেলার শিবচর, শরীয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ, নরসিংদী জেলার পলাশ এবং চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও নারী ভাইস চেয়ারম্যান তিন পদেই একক প্রার্থী রয়েছেন। ফলে এই ছয় উপজেলায় কোনো ভোটগ্রহণ হয়নি।

যে ১১৭ উপজেলায় ভোট হয়েছে সেগুলো হলো-

রাজশাহী বিভাগের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ভোলাহাট, গোমস্তাপুর, নাচোল ও শিবগঞ্জ উপজেলা। রংপুর বিভাগের রংপুর জেলার সদর ও মিঠাপুকুর উপজেলা। খুলনা বিভাগের চুয়াডাঙ্গা জেলার সদর, আলমডাঙ্গা, দামুড়হুদা ও জীবননগর উপজেলা; মাগুরা জেলার সদর, শ্রীপুর, শালিখা ও মোহম্মদপুর উপজেলা; নড়াইল জেলার সদর, কালিয়া ও লোহাগড়া উপজেলা; সাতক্ষীরা জেলার সদর, আশাশুনি, শ্যামনগর, কালীগঞ্জ, কলারোয়া, তালা ও দেবহাটা উপজেলা; কুষ্টিয়া জেলার সদর, ভেড়ামারা, কুমারখালী, মিরপুর, খোকসা ও দৌলতপুর উপজেলা; মেহেরপুর জেলার সদর, মুজিবনগর ও গাংনী উপজেলা এবং ঝিনাইদহ জেলার সদর, শৈলকুপা, হরিণাকুণ্ডু ও কালীগঞ্জ উপজেলা।

বরিশাল বিভাগের বরিশাল জেলা সদর, বাকেরগঞ্জ, বাবুগঞ্জ, বানারীপাড়া, উজিরপুর, মুলাদী ও হিজলা উপজেলা; ঝালকাঠি জেলা সদর, নলছিটি, রাজাপুর ও কাঁঠালিয়া উপজেলা এবং ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন উপজেলা। ময়মনসিংহ বিভাগের শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী, শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী উপজেলা।

ঢাকা বিভাগের মাদারীপুর জেলার কালকিনি ও রাজৈর উপজেলা; শরীয়তপুর জেলার সদর, জাজিরা, নাড়িয়া, ডামুড্যা ও গোসাইরহাট উপজেলা; গোপালগঞ্জের সদর, টুঙ্গিপাড়া, কোটালিপাড়া, কাশিয়ানি ও মুকসুদপুর উপজেলা; রাজবাড়ী জেলার সদর, গোয়ালন্দ, পাংশা ও বালিয়াকান্দি উপজেলা; মানিকগঞ্জ জেলার সদর, দৌলতপুর, ঘিওর, শিবালয়, সিঙ্গাইর, হরিরামপুর ও সাটুরিয়া; গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া, কারিয়াকৈর, শ্রীপুর ও কালীগঞ্জ উপজেলা; নরসিংদী জেলার শিবপুর, মনোহরদী, বেলাব ও রায়পুর উপজেলা এবং কিশোরগঞ্জ জেলার সদর, হোসেনপুর, কটিয়াদী, পাকুন্দিয়া, তাড়াইল, করিমগঞ্জ, ইটনা, মিঠামইন, অষ্টগ্রাম, নিকলী, বাজিতপুর, কুলিয়ারচর ও ভৈরব উপজেলা।

চট্টগ্রাম বিভাগের চাঁদপুর জেলার সদর, কচুয়া, মতলব উত্তর, মতলব দক্ষিণ, ফরিদগঞ্জ, হাজীগঞ্জ ও শাহরাস্তি উপজেলা; লক্ষ্মীপুর জেলার সদর, রামগঞ্জ, রায়পুর, কমলনগর ও রামগতি উপজেলা; চট্টগ্রাম জেলার বোয়ালখালী, পটিয়া, চন্দনাইশ, লোহাগাড়া ও বাঁশখালী উপজেলা এবং কক্সবাজার জেলার পেকুয়া, মহেশখালী, রামু, উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলা।

প্রিয় সংবাদ/কামরুল/রিমন

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...