রানার জামিন স্থগিত। ছবি: সংগৃহীত

মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা: সাবেক এমপি রানার জামিন স্থগিত

হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (২৪ মার্চ) অবকাশকালীন চেম্বার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর আদালত এ আদেশ দেন।

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ২৫ মার্চ ২০১৯, ১৪:১৪ আপডেট: ২৫ মার্চ ২০১৯, ১৪:১৪
প্রকাশিত: ২৫ মার্চ ২০১৯, ১৪:১৪ আপডেট: ২৫ মার্চ ২০১৯, ১৪:১৪


রানার জামিন স্থগিত। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলায় টাঙ্গাইল-৩ আসনে সরকারদলীয় সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) আমানুর রহমান খান রানাকে হাইকোর্টের দেওয়া ছয় মাসের জামিন আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত স্থগিত করেছে সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার আদালত। একই সঙ্গে আগামী ৩১ মার্চ আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে মামলার পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারণ করেছে আদালত।

২৪ মার্চ, সোমবার হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে অবকাশকালীন চেম্বার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর আদালত এ আদেশ দেয়।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ। রানার পক্ষে ছিলেন আইনজীবী সাঈদ আহমেদ রাজা।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ বলেন, ‘হাইকোর্টের দেওয়া জামিনাদেশ স্থগিত করে ৩১ মার্চ আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে আবেদনটি পাঠানোর আদেশ হয়।’

গত ১৪ মার্চ বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি এস এম মজিবুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ তাকে ছয়মাসের জামিন দিয়েছিলেন। এর আগে ফারুক হত্যা মামলায় কয়েক দফা ব্যর্থ হওয়ার পর ২০১৭ সালের ১৩ এপ্রিল হাইকোর্টে জামিন মেলে রানার। এরপর রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে এ জামিন স্থগিত করে আপিল বিভাগ।

এরপর ২০১৭ সালের ১৯ অক্টোবর দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে আপিল বেঞ্চ জামিনের এ স্থগিতাদেশ চলমান রেখে ৪ সপ্তাহের মধ্যে রুল নিষ্পত্তির আদেশ দেয়।

এ আদেশ অনুসারে শুনানি শেষে রুল খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট। পরবর্তী সময়ে নতুন করে বিচারিক আদালতে জামিন আবেদন করেন রানা।

গত বছরের ১৩ নভেম্বর ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ বলেছিলেন, ‘ফারুক হত্যা মামলায় ৫ সেপ্টেম্বর এবং যুবলীগের দুই নেতা হত্যা মামলায় ৩০ সেপ্টেম্বর বিচারিক আদালতে জামিন আবেদন নামঞ্জুর হয়। এরপর হাইকোর্টে আবেদন করেন আমানুর রহমান খান রানা।’

আওয়ামী লীগের টাঙ্গাইল জেলা কমিটির সদস্য ফারুক আহমেদকে ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তৎকালীন এমপি রানা ২০১৬ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর আত্মসমর্পণ করলে তাকে কারাগারে পাঠায় টাঙ্গাইলের বিচারিক আদালত।

এ মামলায় ২০১৭ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি রানা ও তার তিন ভাইসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। এরপর একই বছরের ৬ সেপ্টেম্বর দণ্ডবিধির ৩০২/ ১২০/৩৪ ধারায় সংসদ সদস্য রানা ও তার তিন ভাইসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু করে আদালত। বর্তমানে মামলাটি সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে।

প্রিয় সংবাদ/কামরুল/রুহুল

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...