মহেন্দ্র সিং ধোনি। ছবি: সংগৃহীত

৪০ কোটি রুপি ঠকানোর অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টে ধোনি

ঘটনাটা এখানেই শেষ হতে পারতো। কিন্তু তা আর হলো কই?

মুশাহিদ
সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ২৭ মার্চ ২০১৯, ২০:২৪ আপডেট: ২৭ মার্চ ২০১৯, ২০:২৪
প্রকাশিত: ২৭ মার্চ ২০১৯, ২০:২৪ আপডেট: ২৭ মার্চ ২০১৯, ২০:২৪


মহেন্দ্র সিং ধোনি। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) রিয়েল এস্টেট কোম্পানি হিসেবে ভারতে বেশ নাম ডাক ছিল আম্রপালি গ্রুপের। এক সময় এই প্রতিষ্ঠানটির ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে কাজ করতেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। কিন্তু আম্রপালি গ্রুপের বিরুদ্ধে ফ্ল্যাট হস্তান্তরে বিলম্ব করার অভিযোগ উঠলে প্রতিষ্ঠানটির শুভেচ্ছা দূতের পদ থেকে সরে দাঁড়ান ভারতের সাবেক এই অধিনায়ক।

এরপর প্রতিষ্ঠানটির ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে চুক্তিবদ্ধ হন আরেক ভারতীয় ক্রিকেটার হরভজন সিং। এই ঘটনাটি এখানিই শেষ হতে পারতো। কিন্তু তা আর হলো কই? এবার আম্রপালি গ্রুপের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ তুলেছেন ধোনি নিজেই।

আম্রপালি গ্রুপের বিরুদ্ধে বিশ্বাসভঙ্গ ও ঠকানোর অভিযোগ এনে সুপ্রিম কোর্টের দারস্থ পর্যন্ত হয়েছেন তিনি। ধোনির দাবি, প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে এখনো প্রায় ৪০ কোটি রুপি পাবেন তিনি। এজন্য আম্রপালি গ্রুপের সঙ্গে সকল চুক্তির নথিও শীর্ষ আদালতে জমা দিয়েছেন ভারতের এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান।

২০০৯ সালে আম্রপালি গ্রুপের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন ধোনি। এরপর ২০১৫ সাল পর্যন্ত ৬ বছর ধরে তাকে বিভিন্ন সময় ব্র্যান্ডিং ও মার্কেটিংয়ের জন্য ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানটি। কিন্তু ২০১৬ সালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতারণার অভিযোগ তোলেন প্রতারিত গ্রাহকরা। তাতে ধোনির নামও বিতর্কে জড়ায়।

এই ঘটনায় চুক্তি থেকে সঙ্গে সঙ্গে বেরিয়ে আসেন ধোনি। তবে তার পাওয়া পরিশোধ করেনি প্রতিষ্ঠানটি। এখানেই শেষ নয়। ধোনির স্ত্রী সাক্ষীও আম্রপালি গ্রুপের সমাজসেবামূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। প্রতিষ্ঠানের মালিক অনিল কুমার শর্মার ব্যবসায় ২৫ শতাংশ শেয়ার ছিল তার। সব মিলিয়ে প্রতিষ্ঠানটির কাছে এখনো ৪০ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে তাদের। 

এ প্রসঙ্গে ধোনি বলেন, ‘আম্রপালি গ্রুপের কাছ থেকে আমি প্রায় ৪০ লাখ রুপির মতো পাই। তার মধ্যে ২২ কোটি ৫৩ লাখ রুপি মূলধন এবং ১৬ কোটি ৪২ কোটি টাকা ১৮ শতাংশ সিম্পল ইন্টারেস্ট।’

প্রিয় সংবাদ/কামরুল