প্রতীকী ছবি

‘প্রশ্নবিদ্ধ’ নিরীক্ষা প্রতিবেদনের বিপরীতে টাকা চায় বিটিআরসি!

গ্রামীণফোনের কাছ থেকে ১২ হাজার ৫৭৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা চাওয়া হয়েছে। এর মধ্যে বিটিআরসির পাওনা আট হাজার ৪৯৪ কোটি এক লাখ টাকা এবং এনবিআরের পাওনা চার হাজার ৮৫ কোটি ৯৪ লাখ টাকা।

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ০৩ এপ্রিল ২০১৯, ১১:২১ আপডেট: ০৩ এপ্রিল ২০১৯, ১১:২১
প্রকাশিত: ০৩ এপ্রিল ২০১৯, ১১:২১ আপডেট: ০৩ এপ্রিল ২০১৯, ১১:২১


প্রতীকী ছবি

(প্রিয়.কম) গ্রামীণফোনের কাছে পাওনা ১২ হাজার ৫৭৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা চেয়ে চিঠি দিয়েছে টেলিযোগাযাগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি।

বিপরীতে মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন বিটিআরসির নিরীক্ষা প্রতিবেদনের বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছে। অপারেটরটির দাবি, বিটিআরসি যে নিরীক্ষা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এই অর্থ দাবি করেছে, এই নিরীক্ষা প্রক্রিয়ায় ত্রুটি ছিল।

৩ এপ্রিল, বুধবার ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টার ও অনলাইন সংবাদমাধ্যম বিডিনিউজ এই সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনগুলোতে এসব তথ্য জানানো হয়।

উভয় প্রতিবেদনে বলা হয়, ২ এপ্রিল মঙ্গলবার গ্রামীণফোনের নির্বাহী বরাবর টাকা চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে বিটিআরসি। বিষয়টি স্বীকার করে সংস্থাটির চেয়ারম্যান জহুরুল হক জানিয়েছেন, টাকা পরিশোধের জন্য গ্রামীণফোনকে ১০ থেকে ১৫ দিন সময় দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদনগুলোতে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়, গ্রামীণফোনের কাছ থেকে ১২ হাজার ৫৭৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা চাওয়া হয়েছে। এর মধ্যে বিটিআরসির পাওনা ৮ হাজার ৪৯৪ কোটি এক লাখ টাকা এবং এনবিআরের পাওনা চার হাজার ৮৫ কোটি ৯৪ লাখ টাকা।

জানা গেছে, যে নিরীক্ষার ভিত্তিতে পাওনা টাকা চাওয়া হয়েছে সেই নিরীক্ষা প্রতিবেদনটির বিপরীতে আগেও আপত্তি তুলেছিল গ্রামীণফোন। পরে নিরীক্ষা প্রতিবেদনটি পুনরায় মূল্যায়ন করা হয়। ফের পুনর্মূল্যায়ন প্রতিবেদনটিতে আপত্তি তুলে এই অপারেটরটি।

গ্রামীণফোনের কাছে পাঠানো এই পাওনা টাকা চাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে, এক বিবৃতিতে সংবাদমাধ্যমগুলোকে গ্রামীণফোন জানিয়েছে, যে অর্থ বিটিআরসি দাবি করছে, তার সঙ্গে তারা একমত নয়। এই নিরীক্ষায় তাদের উদ্বেগের বিষয়গুলো প্রতিফলিত না হওয়াটা দুর্ভাগ্যজনক।

দেশীয় প্রতিষ্ঠানের করা এই নিরীক্ষা প্রক্রিয়ায় ত্রুটি ছিল দাবি করে গ্রামীণফোন বলেছে, এই পাওনা নির্ধারণে নিজেরাই একটি নিরীক্ষা করাবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি গ্রামীণফোনকে সিগনিফিকেন্ট মার্কেট পাওয়ার বা এসএমপি অপারেটর হিসেবে ঘোষণা দেয় বিটিআরসি। পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে অপারেটরটির ওপর বিভিন্ন নির্দেশনা জারি করে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। এর কিছুদিন পর জারি করা নির্দেশনা থেকে পিছিয়ে আসে বিটিআরসি।

প্রিয় প্রযুক্তি/রুহুল