প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফাইল ছবি

আক্রমণ আসলে পাল্টা জবাব দিতে প্রস্তুত থাকতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

টানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দৃঢ় করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলেও জানান শেখ হাসিনা।

মোক্তাদির হোসেন প্রান্তিক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৪ এপ্রিল ২০১৯, ১২:৫৮ আপডেট: ০৪ এপ্রিল ২০১৯, ১২:৫৮
প্রকাশিত: ০৪ এপ্রিল ২০১৯, ১২:৫৮ আপডেট: ০৪ এপ্রিল ২০১৯, ১২:৫৮


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফাইল ছবি

(প্রিয়.কম) বাংলাদেশ কারো সঙ্গে যুদ্ধ নয় শান্তি চায় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

তিনি বলেন, ‘আলোচনার মাধ্যমে সব সমস্যার সমাধান করতে আগ্রহী বাংলাদেশ। আমরা সবার সাথে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ চাই। জাতির পিতা যেই নীতিমালা দিয়ে গিয়েছিলেন- সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়। আমরা সেই নীতিতেই বিশ্বাস করি এবং সেই নীতিমালা নিয়েই আমরা চলছি। তবে সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সব হুমকি বা আক্রমণ প্রতিহত করার প্রস্তুতি থাকতে হবে। কারো কাছ থেকে আক্রমণ আসলে পাল্টা জবাব দিতেও প্রস্তুত থাকতে হবে।’

৪ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার সকালে শেরে বাংলা নগরে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে সেখানকার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মিয়ানমারের সঙ্গে সংঘাত এড়িয়ে জাতিগত নিধনের শিকার রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মাতৃভূমিতে ফেরাতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘এটাই বলব যেহেতু মিয়ানমার আমাদের একেবারেই প্রতিবেশী তাদের সঙ্গে কখনও সংঘাতে যাব না। বরং আলোচনার মাধ্যমে তাদের নাগরিকদের (রোহিঙ্গা) যেন তারা ফিরিয়ে নিয়ে যায় সেই প্রচেষ্টাই আমাদের অব্যাহত থাকতে হবে এবং সেভাবে সকলে দায়িত্ব পালন করবেন।’

তিনি বলেন, ‘মানবিক কারণেই আমরা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছি। মিয়ানমারের সঙ্গে আমরা ঝগড়া বাঁধাতে যাইনি। আমরা আলোচনা করেছি, চুক্তি সম্পন্ন করেছি। তাদের সঙ্গে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে এদের তাদের দেশে ফেরত পাঠানো এটাই আমাদের লক্ষ্য। সেই লক্ষ্য নিয়ে আমরা এখনও কাজ করে যাচ্ছি।’

১৯৭১ সালে পাক হানাদারদের সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের সময়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়া বাংলাদেশের শরণার্থীদের কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের নিজেদের অভিজ্ঞতা আছে। ১৯৭১ সালে আমাদের এক কোটি মানুষ শরণার্থী ছিল। কাজেই তাদের নিয়ে এসে পুর্নবাসন করতে হয়েছে। সেই অভিজ্ঞতা আমাদের আছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাধীন-সার্বভৌম দেশ হিসেবে বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারি সেই প্রস্তুতিও আমাদের থাকতে হবে।’ একই সঙ্গে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে পাঠানোর আগে সেনাদের প্রশিক্ষণেরও তাগিদ দিয়েছেন তিনি।

টানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দৃঢ় করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলেও জানান শেখ হাসিনা।

প্রিয় সংবাদ/রুহুল