ভারতীয় ওপেনার লোকেশ রাহুল। ছবি: সংগৃহীত

লোকেশ রাহুলের নাম নিয়ে অজানা সত্যটা জানেন কি?

লোকেশের ক্রিকেটের পাশাপাশি পাগলামি রয়েছে ট্যাটু নিয়ে। তিনি জানান, ট্যাটুর নেশা রয়েছে তার।

আশরাফ ইসলাম
সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ১৭ এপ্রিল ২০১৯, ১৪:৫১ আপডেট: ১৭ এপ্রিল ২০১৯, ১৪:৫৭
প্রকাশিত: ১৭ এপ্রিল ২০১৯, ১৪:৫১ আপডেট: ১৭ এপ্রিল ২০১৯, ১৪:৫৭


ভারতীয় ওপেনার লোকেশ রাহুল। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) ক্যারিয়ার শুরুর কয়েক বছরের মধ্যেই চোট ও অসুস্থতার কারণে বারবারই মাঠের বাইরে চলে যেতে হয়েছে এই ক্রিকেটারকে। ফর্মটাও খুব একটা ভালো যাচ্ছে না তার। তবুও ভারতীয় ওপেনার লোকেশ রাহুল বিশ্বকাপ দলে সুযোগ পেয়েছেন। 

কর্ণাটকের ম্যাঙ্গালোরে ১৯৯২ সালের ১৮ এপ্রিল জন্ম লোকেশ রাহুলের। রাহুলের বাবা ছিলেন সুনীল গাভাস্কারের অন্ধ ভক্ত। তাই ছেলের নাম গাভাস্কারের ছেলের নামেই রাখতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি জানতেন না গাভাস্কারের ছেলের নাম রাহুল নয়, রোহান। আর এ কারণেই ভুল করে রাহুল নাম রাখা হয় তার। 

রাহুলের বাবা ম্যাঙ্গালোরের এনআইটিকের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের একজন অধ্যাপক, তার মা ম্যাঙ্গালোর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে একটি কলেজের অধ্যাপিকা। ছোটবেলা থেকেই তাই পড়াশোনার পরিবেশে বড় হয়েছেন রাহুল। কিন্তু ছেলের ক্রিকেটের প্রতি ভালোবাসা দেখে ছেলেকে ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে ভর্তি করিয়ে দেন বাবা। 

স্কুলজীবনে ভলিবল, হকি, ফুটবলও খেলতেন লোকেশ। ১৭ বছর বয়সে বেঙ্গালুরুর ইউনাইটেড ক্রিকেট ক্লাবের হয়ে খেলতে শুরু করেন তিনি। কর্ণাটকের হয়ে অনূর্ধ্ব ১৩, ১৫, ১৭, ১৯, এমনকি অনূর্ধ্ব ২৩ দলেও খেলেছেন রাহুল একের পর এক ম্যাচ। পারফরম্যান্সও ছিল বেশ ভালো।

রাহুল কিন্তু ভক্ত ছিলেন নিজের নামের সঙ্গে মিল থাকা জনপ্রিয় ক্রিকেটার রাহুল দ্রাবিড়ের। দ্রাবিড়কেই নিজের আদর্শ বলে মনে করেন লোকেশ। দুজনের মধ্যে বেশ ভালো সম্পর্কও রয়েছে। 

২০১৪ সালে ঘরোয়া ক্রিকেটে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেই বক্সিং ডে টেস্ট ম্যাচে সুযোগ পান রাহুল। প্রথম টেস্টে একেবারেই ভালো কিছু করতে পারলেন না তিনি। তবে ক্যারিয়ারের চতুর্থ টেস্টে গিয়েই পেয়ে যান প্রথম শতক। 

২০১৪ সালেই ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) উৎসাহ তৈরি হয় রাহুলকে ঘিরে। এক কোটি টাকা দিয়ে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ তাকে কেনে।

লোকেশের ক্রিকেটের পাশাপাশি পাগলামি রয়েছে ট্যাটু নিয়ে। তিনি জানান, ট্যাটুর নেশা রয়েছে তার।

ভারতের হয়ে ৩৪ টেস্ট, ১৪ ওয়ানডে আর ২৭টি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন এই ক্রিকেটার। ৩৪ টেস্টে ৩৫.২৮ গড়ে রান করেছেন ১৯০৫। সর্বোচ্চ ১৯৯। মোট সেঞ্চুরি ৫টি, ফিফটি ১১টি। ১৪ ওয়ানডেতে ৩৪ গড়ে রান ৪২৪। করেছেন দুটি ফিফটি ও একটি সেঞ্চুরি।

প্রিয় খেলা/আজাদ চৌধুরী

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...