লিগ্যাল নোটিশের কপি (বামে) এবং বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক সমিতির (বিজিএমইএ) ভবন (ডানে)। ফাইল ছবি

ভবন ভাঙতে বিজিএমইএর সময় আবেদন প্রত্যাহার চেয়ে উকিল নোটিশ (ভিডিও)

ভবন ভাঙতে আবারও এক বছর সময় চেয়ে বিজিএমইএর করা আবেদন প্রত্যাহার চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

আমিনুল ইসলাম মল্লিক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৭ এপ্রিল ২০১৯, ১৮:০৮ আপডেট: ১৭ এপ্রিল ২০১৯, ১৮:০৮
প্রকাশিত: ১৭ এপ্রিল ২০১৯, ১৮:০৮ আপডেট: ১৭ এপ্রিল ২০১৯, ১৮:০৮


লিগ্যাল নোটিশের কপি (বামে) এবং বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক সমিতির (বিজিএমইএ) ভবন (ডানে)। ফাইল ছবি

(প্রিয়.কম) ভবন ভাঙতে আবারও এক বছর সময় চেয়ে বিজিএমইএর করা আবেদন প্রত্যাহার চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তাদের আবেদন প্রত্যাহার করতে বলা হয়েছে বিজিএমইএর প্রেসিডেন্টকে। নোটিশের জবাব না পেলে আদালত অবমাননার মামলা করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

১৭ এপ্রিল, বুধবার সরকারি ডাকযোগে নোটিশটি পাঠান পরিবেশবাদী সংগঠনের চেয়ারম্যান মনজিল মোরসেদ

এর আগে গত ১২ এপ্রিল বিজিএমইএ ভবন ভাঙতে আপিল বিভাগের দেওয়া সময় শেষ হয়। ১১ এপ্রিল ভবন ভাঙতে আবার এক বছর সময় চেয়ে পুনরায় আবেদন করে বিজিএমইএ। অথচ বিজিএমইএ আর সময় চাইবে না বলে মুচলেকা দিয়েছিল আদালতে। তাই আবার এক বছর চেয়ে করা বিজিএমইএর আবেদন প্রত্যাহার চেয়ে এ নোটিশ পাঠানো হয়। 

জানা যায়, হাতিরঝিলে বিজিএমইএ ভবন নির্মাণ হয় ২০০৬ সালে। জায়গাটির স্বত্ব না থাকা ও জলাধার সংরক্ষণ আইন ভঙ্গ করে বেগুনবাড়ি খালের একাংশ ভরাট করার মাধ্যমে ওই ভবন তোলা হয়।

পরে এ বিষয়ে জাতীয় দৈনিকে ভবনটি নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন আদালতের নজরে আনা হয়। ২০১০ সালের ৩ অক্টোবর হাইকোর্ট ভবনটি ভাঙার বিষয়ে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে রুল জারি করে। ওই রুলের শুনানি শেষে ২০১১ সালের ৩ এপ্রিল ভবনটিকে হাতিরঝিলের ক্যানসার বলে আখ্যায়িত করা হয়।

এরপর হাইকোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে বিজিএমইএ কর্তৃপক্ষ আপিল দায়ের করে। আপিল শুনানিকালে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মনজিল মোরসেদকে অ্যামিকাস কিউরি (আদালতের সহায়তাকারী) হিসেবে নিয়োগ দেয় আপিল বিভাগ। এরপর দীর্ঘদিন শুনানি শেষে ওই বিজিএমইএর আপিল খারিজ করে দেয় আদালত।

পরে ২০১৭ সালের ৫ মার্চ আপিলের রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে করা বিজিএমইএর আবেদনটিও খারিজ হয়ে যায়। এরপরও ভবন না ভাঙতে আদালতের কাছে কয়েক বার সময় চান বিজিএমইএ কর্তৃপক্ষ। সর্বশেষ ২০১৮ সালের ১২ এপ্রিল মুচলেকা দিয়ে ভবন ভাঙতে এক বছর সময় পায় বিজিএমইএ কর্তৃপক্ষ।

মুচলেকার শর্তের প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ এক আদেশ দেয়। ওই আদেশে বিজিএমইএ ভবন ভাঙতে চলতি বছরের ১২ এপ্রিল পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়। ১৬ এপ্রিল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজউক এই ভবনটিতে তালা লাগিয়ে দেয়।

প্রিয় সংবাদ/আজাদ চৌধুরী

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

১ গাভী থেকে ১২৮টি গাভী

প্রিয় ২৩ ঘণ্টা, ৩৮ মিনিট আগে

loading ...