ফেনীর মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি (বামে); হাইকোর্টের এনেক্স ভবন (ডানে)। ছবি: প্রিয়.কম

নুসরাত হত্যায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে রিট (ভিডিও)

ফেনীর সোনাগাজীর সিনিয়র ফাজিল মাদরাসার ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলার বিচার বিভাগীয় অনুসন্ধানের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করা হয়েছে।

আমিনুল ইসলাম মল্লিক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৭ এপ্রিল ২০১৯, ১৮:৫৮ আপডেট: ১৭ এপ্রিল ২০১৯, ১৮:৫৮
প্রকাশিত: ১৭ এপ্রিল ২০১৯, ১৮:৫৮ আপডেট: ১৭ এপ্রিল ২০১৯, ১৮:৫৮


ফেনীর মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি (বামে); হাইকোর্টের এনেক্স ভবন (ডানে)। ছবি: প্রিয়.কম

(প্রিয়.কম) ফেনীর সোনাগাজীর সিনিয়র ফাজিল মাদরাসার ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলার বিচার বিভাগীয় অনুসন্ধানের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করা হয়েছে।

১৭ এপ্রিল, বুধবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. ইউনুছ আলী আকন্দ। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সচিব, আইন মন্ত্রণালয় সচিব, পুলিশের আইজি, মাদরাসার অধ্যাক্ষ ও সোনাগাজী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।

রিটের বিষয়টি প্রিয়.কমকে জানান ইউনুছ আলী আকন্দ। তিনি বলেন, ‘এ মামলার সঙ্গে সরকারদলীয় লোকজন জড়িত। মামলাটি যেন ভিন্ন খাতে প্রবাহিত না হয় এ জন্য বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়েছি। মামলাটি দ্রুত শেষ করতে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল গঠনের আবেদন করেছি।’

রিটে সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা, নারায়ণগঞ্জের মেধাবী ছাত্র ত্বকী, কুমিল্লার সোহাগী জাহান তনু এবং সাবেক এসপি বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলার অগ্রগতি আদালতকে জানানোর নির্দেশনাও চাওয়া হয়েছে।

ইউনুছ আলী আকন্দ বলেন, ‌‘রিট আবেদনটি বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কেএম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে আগামীকাল শুনানি হতে পারে।’

প্রসঙ্গত, নুসরাত জাহান রাফি সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার আলিমের পরীক্ষার্থী ছিলেন। ওই মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ-দৌলার বিরুদ্ধে এর আগেও ওই ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ওঠে।

নুসরাতের মা শিরিন আক্তার বাদী হয়ে ২৭ মার্চ সোনাগাজী থানায় মামলা দায়ের করেন। এরপর অধ্যক্ষকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে মামলা তুলে নিতে বিভিন্নভাবে নুসরাতের পরিবারকে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল।

৬ এপ্রিল সকাল ৯টার দিকে পরীক্ষা দিতে সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসা কেন্দ্রে যান নুসরাত। এ সময় তাকে কৌশলে একটি বহুতল ভবনে ডেকে নিয়ে গায়ে কেরোসিন দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ১০ এপ্রিল, বুধবার রাত সাড়ে ৯টায় ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নুসরাত মারা যান।

প্রিয় সংবাদ/আজাদ চৌধুরী

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...