বাড়তি সতকর্তা হিসেবে জেলায় জেলায় সতর্কতা, নজরদারি ও চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি বাড়াতে নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ সদরদপ্তর।

সারাদেশে পুলিশকে সতর্ক থাকার নির্দেশ

পুলিশ সদর দফতর জানায়, শ্রীলঙ্কায় বোমা হামলার ঘটনায় বাংলাদেশে নাশকতার কোনো আশঙ্কা নেই। তারপরেও বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাসহ দেশজুড়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে পুলিশ।

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ২১ এপ্রিল ২০১৯, ১৯:৩৪ আপডেট: ২১ এপ্রিল ২০১৯, ১৯:৫১
প্রকাশিত: ২১ এপ্রিল ২০১৯, ১৯:৩৪ আপডেট: ২১ এপ্রিল ২০১৯, ১৯:৫১


বাড়তি সতকর্তা হিসেবে জেলায় জেলায় সতর্কতা, নজরদারি ও চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি বাড়াতে নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ সদরদপ্তর।

(প্রিয়.কম) খ্রিস্টান ধর্মালম্বীদের উৎসব ইস্টার সানডেতে শ্রীলঙ্কার গির্জা ও হোটেলে সিরিজ বোমা হামলায় দুই শতাধিক মানুষ নিহতের হওয়ার পর পবিত্র শবে বরাতকে ঘিরে বাংলাদেশেও নিরাপত্তা বাড়ানো হচ্ছে।

২১ এপ্রিল, রবিবার খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের ইস্টার সানডে ও মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের শবে বরাত উদযাপন উপলক্ষে ধর্মীয় উপাসনায়গুলো ঘিরে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি বাড়িয়েছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।

পুলিশ সদর দফতর জানায়, শ্রীলঙ্কায় বোমা হামলার ঘটনায় বাংলাদেশে নাশকতার কোনো আশঙ্কা নেই। তারপরেও বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাসহ দেশজুড়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে পুলিশ।

বাড়তি সতকর্তা হিসেবে জেলায় জেলায় সতর্কতা, নজরদারি ও চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি বাড়াতে নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ সদরদপ্তর।

পুলিশ সদরদপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি) মো. সোহেল রানা বলেন, ‘শ্রীলঙ্কায় বোমা হামলার ঘটনায় মতো কোনো নাশকতার আশঙ্কা বাংলাদেশে আমরা করছি না। তবে ইস্টার সানডে ও শবে বরাত ঘিরে বাড়তি নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।’

কোনো রকম ‘অপ্রীতিকর ঘটনা’ যাতে না ঘটে সেজন্য ‘রুটিন কাজের অংশ হিসেবেই’ নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

রবিবার সকালে ইস্টার সানডের প্রার্থনা চলাকালে কলম্বো ও আশপাশের এলাকার তিনটি গির্জায় বিস্ফোরণ ঘটে। একই সময়ে বোমা হামলা হয় তিনটি পাঁচতারা হোটেলে।

এরপর দুপুরে একটি হোটেলসহ আরও দুটি জায়গায় বিস্ফোরণের খবর জানায় কলম্বো পুলিশ।

এসব হামলায় ২০৭ জনের মৃত্যুর খবর দিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো। তবে স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো বলছে, নিহতের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।

শ্রীলঙ্কার ঘটনার পর রবিবার রাজধানীর কূটনীতিক পাড়া গুলশান-বনানী এবং ধর্মীয় উপাসনালয়গুলোর বাইরে বাড়তি পুলিশ মোতায়েন থাকতে দেখা গেছে।

সংখ্যাগরিষ্ঠ বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের দেশ শ্রীলঙ্কার মাত্র ছয় শতাংশ মানুষ ক্যাথলিক খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী। দেশটির দুই নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠী তামিল ও সিংহলিজ উভয়ের মধ্যেই এই ধর্মাবলম্বীদের দেখতে পাওয়া যায়।

বোমা হামলার পর দেশটিকে কারফিউ জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে ফেসবুক, টুইটারসহ সব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বার্তা পাঠানোর অ্যাপস দেশটিতে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যেন ভুল তথ্য ও গুজব ছড়ানো সম্ভব না হয়।

প্রিয় সংবাদ/কামরুল

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...