সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হকের জানাজা অনুষ্ঠিত হয় সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে। ছবি: প্রিয়.কম

আদালতপাড়া থেকে চিরবিদায় নিলেন ব্যারিস্টার আমিনুল হক (ভিডিও)

রবিবার সকাল ১০টায় রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে আমিনুল হক শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বলে জানান তার ভাতিজা ব্যারিস্টার অনিক আর হক। তিনি দীর্ঘদিন ধরে লিভার ক্যানসারে ভুগছিলেন।

আমিনুল ইসলাম মল্লিক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২১ এপ্রিল ২০১৯, ১৭:৪৪ আপডেট: ২১ এপ্রিল ২০১৯, ১৭:৪৪
প্রকাশিত: ২১ এপ্রিল ২০১৯, ১৭:৪৪ আপডেট: ২১ এপ্রিল ২০১৯, ১৭:৪৪


সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হকের জানাজা অনুষ্ঠিত হয় সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে। ছবি: প্রিয়.কম

(প্রিয়.কম) সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার মাধ্যমে আদালতপাড়া থেকে চিরবিদায় নিলেন সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হক

২১ এপ্রিল, রবিবার বাদ জোহর সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনসহ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিগণ জানাজায় অংশ নেন।  এ ছাড়াও ছিলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক, সাবেক আইন মন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, আব্দুল মতিন খসরু,  ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ, অ্যার্টনি জেনারেল মাহবুবে আলম, সাবেক অ্যার্টনি জেনারেল এএফ হাসান আরিফ, এজে মোহাম্মদ আলী, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল বাসেত মজুমদার, খন্দকার মাহবুব হোসেন, সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট এএম আমিন উদ্দিন, সাবেক সভাপতি ব্যারিস্টার এম. আমির -উল -ইসলাম, রোকন উদ্দিন মাহমুদ ও  অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, এএম মাহবুব উদ্দিন খোকনসহ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীরা।

রবিবার সকাল ১০টায় রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে আমিনুল হক শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বলে জানান তার ভাতিজা ব্যারিস্টার অনিক আর হক। তিনি দীর্ঘদিন ধরে লিভার ক্যানসারে ভুগছিলেন।

অনিক বলেন, ‘জানাজা শেষে রাজশাহীর গ্রামের বাড়িতে মরদেহ দাফন করা হবে।’

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবদুস সালাম শাওয়াল বলেন, সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে ১৮ এপ্রিল সকালে ফিরে আসেন আমিনুল হক। এরপর থেকেই ইউনাইটেড হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিসিইউ) চিকিৎসা নিচ্ছিলেন তিনি।

আমিনুল হক রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসন থেকে বিএনপির মনোনয়নে তিনবার সংসদ সদস্য (এমপি) নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৯১ থেকে ২০০৭ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আগ পর্যন্ত এমপি ছিলেন। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি সরকারের ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ছিলেন। সর্বশেষ একাদশ সংসদ নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী ওমর ফারুক চৌধুরীর কাছে পরাজিত হন।

মৃত্যুকালে আমিনুল হক এক ছেলে ও এক মেয়েসহ আত্মীয়-স্বজন ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার ছেলে বিদেশ থেকে ফিরলে গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হবে।

জানাজা শেষে প্রধান বিচারপতি মো. সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম শ্রদ্ধা নিবেদন করে।

জানাজার পর ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন সাংবাদিকদের বলেন, আইনঙ্গন হারিয়েছে একজন দক্ষ আইনজীবী এবং জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি হারিয়েছে একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব।

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...