তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ফাইল ছবি

‘গণমাধ্যমকর্মী আইন যখন হবে তখন চাকরির সুরক্ষা প্রতিষ্ঠিত হবে’

অনেক ক্ষেত্রে বার্তা বিভাগ বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে, এগুলো কোনোটাই হতো না যদি বিদেশে বিজ্ঞাপন চলে না যেতো।

মোক্তাদির হোসেন প্রান্তিক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৩ এপ্রিল ২০১৯, ১৭:৩৮ আপডেট: ২৩ এপ্রিল ২০১৯, ১৭:৩৮
প্রকাশিত: ২৩ এপ্রিল ২০১৯, ১৭:৩৮ আপডেট: ২৩ এপ্রিল ২০১৯, ১৭:৩৮


তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ফাইল ছবি

(প্রিয়.কম) গণমাধ্যমকর্মীদের সুরক্ষায় প্রণীত ‘গণমাধ্যমকর্মী আইন’ এবং ‘সম্প্রচার আইন’ জাতীয় সংসদের আগামী অধিবেশনে উপস্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ

২৩ এপ্রিল, মঙ্গলবার সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ে ‘ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার’-এর নেতারা সাক্ষাৎ করতে এলে মন্ত্রী একথা জানান।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গণমাধ্যমকর্মী আইন’ এবং ‘সম্প্রচার আইন’ আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য আছে। সামনে যে অধিবেশন সেটাতে সম্ভবপর হবে না প্রস্তাব করার, কারণ আগামীকাল ২৪ এপ্রিল থেকে অধিবেশন। আমরা চেষ্টা করছি পরবর্তী অধিবেশনে যাতে এটাকে নিয়ে যেতে পারি। আমরা আইন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলেছি, যাতে দ্রুত আমাদের কাছে আসার পর মন্ত্রিসভা হয়ে সেটি সংসদে উপস্থাপন হবে।’

‘এ দুটি আইন যখন কার্যকর হবে, যখন আইনে রূপান্তরিত হবে তখন আমি মনে করি আজকে যে সমস্যাগুলোর কথা বলছেন সেগুলোর আইনি প্রটেকশন আমরা দিতে পারব, এটি অত্যন্ত জরুরি।’



গণমাধ্যমকর্মীদের চাকরির নিশ্চয়তার জন্য উদ্যোগ নেবেন কি না—জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গণমাধ্যমকর্মী আইন যখন হবে তখন চাকরির নিশ্চয়তা থেকে শুরু করে সবকিছুর আইনি সুরক্ষা তখনই প্রতিষ্ঠিত হবে। আইনটি দ্রুত সংসদে পাস করতে পারলেই সুরক্ষা তৈরি হবে।’

এ সময় চাকরিচ্যুত সাংবাদিকদের আপৎকালীন ভাতা দেওয়ার জন্য তথ্যমন্ত্রীর সহায়তা চান নেতারা।

এ বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন করেছেন। সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টে টিওআরের মধ্যে এখন শুধুমাত্র কেউ মারা গেলে, অসুস্থ হলে সেখানে সাহায্য করা যায়, অন্য কোনো কারণে সাহায্য করা যায় না। এরই মধ্যে আমরা মন্ত্রণালয়ের মধ্যে আলোচনা করেছি টিওআর পরিবর্তন করার জন্য। যাতে সাংবাদিকরা সাহায্য পেতে পারেন।’

তথ্যমন্ত্রী জানান, বিদেশি চ্যানেলের মাধ্যমে হাজার কোটি টাকার বিজ্ঞাপন বাইরে চলে যাচ্ছে, চ্যানেলগুলোতে অর্থ সংকট। এ সংকটের কারণে সাংবাদিক ভাই-বোনদের বেতন দেওয়ার ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা। অনেক ক্ষেত্রে বার্তা বিভাগ বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে, এগুলো কোনোটাই হতো না যদি বিদেশে বিজ্ঞাপন চলে না যেত।’

বিদেশি চ্যানেলে বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধে আইনের কড়াকড়ি আরোপ করা হবে বলে জানান মন্ত্রী।

প্রিয় সংবাদ/আজাদ চৌধুরী

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...