বুধবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক আবু সৈয়দ দিলজার হোসেন আসামি গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। ছবি: সংগৃহীত

অর্থ পাচার মামলায় মামুনের ৭ বছরের কারাদণ্ড

ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুনকে সাত বছরের কারাদণ্ড ও ১২ কোটি টাকা জরিমানা করেছে আদালত।

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ২৪ এপ্রিল ২০১৯, ১৭:১৯ আপডেট: ২৪ এপ্রিল ২০১৯, ১৭:২৩
প্রকাশিত: ২৪ এপ্রিল ২০১৯, ১৭:১৯ আপডেট: ২৪ এপ্রিল ২০১৯, ১৭:২৩


বুধবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক আবু সৈয়দ দিলজার হোসেন আসামি গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) লন্ডনে ছয় কোটি টাকার অধিক অর্থ পাচারের মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বন্ধু ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুনকে সাত বছরের কারাদণ্ড ও ১২ কোটি টাকা জরিমানা করেছে আদালত।

২৪ এপ্রিল, বুধবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক আবু সৈয়দ দিলজার হোসেন আসামি গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে সাজা পরোয়ানা ইস্যু করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

গত ৮ এপ্রিল রাষ্ট্রপক্ষে এ মামলার যুক্তি-তর্ক উপস্থাপন করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুব আলম, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী খুরশীদ আলম খান ও মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর। অন্যদিকে আসামি পক্ষে আসাদুজ্জামান, জাহেদুল ইসলাম কোয়েল ও হেলাল উদ্দিন যুক্তি-তর্ক তুলে ধরেন।

যুক্তি উপস্থাপন শেষে একই আদালত ২৪ এপ্রিল রায় ঘোষণার দিন ধার্য করে। আসামি গিয়াস উদ্দিন আল মামুনকে ওই দিনও কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়েছিল।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, বিটিএল ও গ্লোব ফার্মাসিউটিক্যালের চেয়ারম্যান এম শাহজাদ আলী রেলওয়ের সিগন্যাল সিস্টেম আধুনিকায়নের টেন্ডার পান। কিন্তু কার্যাদেশ চূড়ান্ত করার সময় মামুন তার কাছে অবৈধ কমিশন দাবি করেন। অন্যথায় কার্যাদেশ বাতিলের হুমকি দেন।

হুমকি দিয়ে মামুন ২০০৩ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে ছয় কোটি এক লাখ ৫৭ হাজার ৭৬২ টাকা গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে তা বাংলাদেশ থেকে লন্ডনের ন্যাটওয়েস্ট ব্যাংকে পাচার করেন। ওই ঘটনায় ২০১১ সালের ২২ সেপ্টেম্বর ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলাটি করে দুদক। পরের বছর ২৯ এপ্রিল মামুনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে দুদক। চার্জশিটভুক্ত ১২ সাক্ষীর মধ্যে বিভিন্ন সময় ১০ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন।

বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে ২০০৭ সালের ৩০ জানুয়ারি যৌথ বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হন গিয়াস উদ্দিন আল মামুন। এরপর থেকে তিনি কারাগারে। ২০১৩ সালের ১৭ নভেম্বর গিয়াস উদ্দিন আল মামুনকে অপর এক অর্থ পাচার মামলায় সাত বছরের কারাদণ্ড দেয় ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালত। রায়ে কারাদণ্ডের পাশাপাশি মামুনকে ৪০ কোটি টাকা জরিমানাও করা হয়। পাচার করা ২০ কোটি ৪১ লাখ ২৫ হাজার ৬১৩ টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করারও নির্দেশ দেয় আদালত।

প্রিয় সংবাদ/কামরুল/আজাদ চৌধুরী