সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিচ্ছেন বিএনপি নেতা জাহিদুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিই প্রথম অঙ্গীকার: জাহিদ

কেবল ঠাকুরগাঁও নয়, রংপুর বিভাগ থেকেই একমাত্র বিএনপি প্রার্থী হিসেবে জয় পান জাহিদুর।

মোক্তাদির হোসেন প্রান্তিক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৫ এপ্রিল ২০১৯, ১৫:৩৩ আপডেট: ২৫ এপ্রিল ২০১৯, ১৫:৩৩
প্রকাশিত: ২৫ এপ্রিল ২০১৯, ১৫:৩৩ আপডেট: ২৫ এপ্রিল ২০১৯, ১৫:৩৩


সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিচ্ছেন বিএনপি নেতা জাহিদুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে শপথ নিয়েছেন ঠাকুরগাঁও-৩ (পীরগঞ্জ-রানীশংকৈল) আসন থেকে নির্বাচিত বিএনপি নেতা জাহিদুর রহমান।

২৫ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর কাছে শপথ নেন বিএনপির এই নেতা।

জাহিদুর রহমান গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৮৮ হাজার ৫১০ ভোট পেয়ে ঠাকুরগাঁও-৩ আসন থেকে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মো. ইমদাদুল হক। তিনি ৮৪ হাজার ৩৮৫ ভোট পেয়েছিলেন। কেবল ঠাকুরগাঁও নয়, রংপুর বিভাগ থেকেই একমাত্র বিএনপি প্রার্থী হিসেবে জয় পান জাহিদুর।

শপথ নেওয়ার পর সাংবাদিকদের বলেন, সংসদে দাঁড়িয়ে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি জানানোই প্রথম অঙ্গীকার তার। সংসদে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে দলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের আহ্বানও জানাবেন তিনি।

জাহিদুর রহমান বলেন, ‘৭৩ বছর বয়সী খালেদা জিয়া মিথ্যা মামলায় কারাগারে রয়েছেন। গণতন্ত্রের স্বার্থে যেন তাকে মুক্ত করে দেওয়া হয় এ আহ্বান আমি সংসদে জানাব। এটাই আমার প্রথম অঙ্গীকার।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপির হাজার হাজার নিরপরাধ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। এসব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জন্য আমি সংসদে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আহ্বান জানাব। এসব মিথ্যা মামলার বাদী পুলিশ। তারা যেসব মামলা দিয়েছে, সেগুলো মিথ্যা মামলা। প্রধানমন্ত্রীকে বলব, দেখুন, আপনার লোক এসব মামলা দেয়নি। কাজেই আপনার দেখা উচিত। গণতন্ত্রের স্বার্থে সেসব মামলা প্রত্যাহারের দাবি রাখব প্রধানমন্ত্রীর কাছে।’

আগামী ৩০ এপ্রিলের মধ্যে তাদের শপথ নেওয়ার আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এই সময়ের মধ্যে শপথ না নিলে এবং এর জন্য সুনির্দিষ্ট কারণ দেখিয়ে স্পিকারকে চিঠি না দিলে, ৩০ এপ্রিলের পর তাদের আসন শূন্য হয়ে যাবে। পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে এসব শূন্য আসনে অনুষ্ঠিত হবে উপনির্বাচন।

প্রিয় সংবাদ/আজাদ চৌধুরী