বগুড়া-৬ আসনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: সংগৃহীত

ফখরুল শপথ না নেওয়ায় বগুড়া-৬ আসন শূন্য ঘোষণা

মঙ্গলবার রাতে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সংসদকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৩০ এপ্রিল ২০১৯, ২১:৪৩ আপডেট: ৩০ এপ্রিল ২০১৯, ২১:৪৩
প্রকাশিত: ৩০ এপ্রিল ২০১৯, ২১:৪৩ আপডেট: ৩০ এপ্রিল ২০১৯, ২১:৪৩


বগুড়া-৬ আসনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) সংসদীয় আসন বগুড়া-৬ শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। গত ৩০ ডিসেম্বরের সাধারণ নির্বাচনে এখান থেকে বিজয়ী হন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শপথ নিতে ব্যর্থ হওয়ায় এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। 

৩০ এপ্রিল, মঙ্গলবার রাতে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সংসদকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘যেহেতু একাদশ সংসদ নির্বাচনে সংসদীয় আসন-৪১ (বগুড়া-৬) থেকে নির্বাচিত মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংবিধানের ৬৭ (ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তার নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের ৯০ দিনের মধ্যে শপথ নিতে ব্যর্থ হয়েছেন, তাই তার আসন শূন্য হয়ে গেছে।’

গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে মাত্র ছয়টি আসনে জয় পায় বিএনপি। গণফোরামের দুটি মিলিয়ে ঐক্যফ্রন্ট পায় মোট আটটি আসন।

নির্বাচনে ‘ভোট ডাকাতির’ অভিযোগ তুলে পুনর্নির্বাচনের দাবি তোলেন তারা। নির্বাচিতরা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেবেন না বলেও ঘোষণা দেওয়া হয় বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে।

এসবের মধ্যেই শপথ নিলেন গণফোরামের সুলতান মনসুর ও মোকাব্বির খান।

এরপর ২৫ এপ্রিল শপথ নেন ঠাকুরগাঁও-৩ আসন থেকে নির্বাচন করে বিজয়ী হওয়া জাহিদুর রহমান। এর জেরে ২৭ এপ্রিল তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

জাহিদুরকে ২৭ এপ্রিল বহিষ্কার করা হলেও ২৯ এপ্রিল শপথ নেন বিএনপির আরও চার জন। তারা হলেন— চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের মো. আমিনুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের মো. হারুনুর রশীদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের আবদুস সাত্তার ভূঁইয়া এবং বগুড়া-৪ আসনের মোশাররফ হোসেন।

এরপর আজ সকালে শপথ নেওয়ার সময় বৃদ্ধির আবেদন জানিয়ে মির্জা ফখরুল স্পিকারকে চিঠি দিয়েছেন বলে একটি খবর ছড়িয়ে পড়লেও সন্ধ্যায় অধিবেশন শুরুর আগে স্পিকার জানান, সন্ধ্যা পর্যন্ত বিএনপি মহাসচিবের এ-সংক্রান্ত কোনো অফিশিয়ালি চিঠি স্পিকারের দফতরে পৌঁছায়নি।

বগুড়ার এই আসনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছিলেন মির্জা ফখরুল। ফখরুল ইসলাম আলমগীর পেয়েছিলেন দুই লাখ পাঁচ হাজার ৯৮৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের নুরুল ইসলাম ওমর পেয়েছিলেন ৩৯ হাজার ৯৬১ ভোট।

প্রিয় সংবাদ/কামরুল/আজাদ চৌধুরী