বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট। ফাইল ছবি

ধুলা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা, দুই সিটির প্রধান নির্বাহীকে তলব

আদালতের আদেশ অনুযায়ী রাজধানী ঢাকার রাস্তায় সম্পূর্ণভাবে বায়ুদূষণ রোধ ও ধুলা নিয়ন্ত্রণে পানি ছিটাতে পারেনি সিটি করপোরেশন।

আমিনুল ইসলাম মল্লিক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৫ মে ২০১৯, ১৯:৪৩ আপডেট: ০৫ মে ২০১৯, ২২:৪৯
প্রকাশিত: ০৫ মে ২০১৯, ১৯:৪৩ আপডেট: ০৫ মে ২০১৯, ২২:৪৯


বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট। ফাইল ছবি

(প্রিয়.কম) আদালতের আদেশ অনুযায়ী রাজধানী ঢাকার রাস্তায় সম্পূর্ণভাবে বায়ুদূষণ রোধ ও ধুলা নিয়ন্ত্রণে পানি ছিটাতে পারেনি সিটি করপোরেশন। কেন পারেননি এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে দুই সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে তলব করেছে হাইকোর্ট। আগামী ১৫ মে হাইকোর্টে হাজির হয়ে এ বিষয়ে তাদেরকে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

৫ মে, রবিবার বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান এবং বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

পরে আদালত থেকে বেরিয়ে আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার সাংবাদিকদের বলেন, ‘বায়ু দূষণ রোধে সিটি করপোরেশনের ওপরে ডাইরেকশন (নির্দেশনা) ছিল আদালতের। ঢাকা সিটিতে দিনে ওনারা (সিটি করপোরেশেনের কর্মকর্তা) দুই বার করে পানি ছিটাবেন যেন ধুলাটা সংক্রমিত হতে না পারে। কিন্তু ওনারা যে কাগজপত্র দাখিল করেছেন সেখানে ওনাদের যে রুটিন ওয়ার্ক আছে তাতে আদালত সন্তুষ্ট হতে পারেননি। রুটিন ওয়ার্ক অনুযায়ী কাজগুলো সম্পাদন হয়েছে কি না, সে বিষয়ে কার্য সম্পাদনের কাগজপত্র দাখিলে ওনারা ব্যর্থ হয়েছেন। এ কারণে ১৫ মে স্বশরীরে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দিতে হবে।’

গত ২১ জানুয়ারি  ঢাকার বায়ুদূষণ নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করে ‘হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের’ পক্ষে এ রিট করা হয়। রিটের শুনানি নিয়ে ২৮ জানুয়ারি আদালত রুলসহ আদেশ দেন। এ ছাড়া আদালত ওইদিন অন্তর্বর্তীকালীন আদেশে ঢাকা নগরীর যেসব এলাকায় উন্নয়ন ও সংস্কার (রাস্তায় এবং নির্মাণাধীন কাজের জায়গা) কাজ চলছে সেসব এলাকা ঘেরাও করে কাজ করার পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেন।

একই সঙ্গে যেসব এলাকায় উন্নয়ন ও সংস্কার কাজ চলছে এবং যেসব এলাকা ধুলাবালি প্রবণ, যেসব এলাকায় ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দিনে দুইবার পানি ছিটাতে দুই সিটির মেয়র ও নির্বাহীদের নির্দেশ দেওয়া হয়।

প্রিয় সংবাদ/কামরুল