বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট। ফাইল ছবি

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো চিহ্নিত করতে নির্দেশ

এ বিষয়ে আদালত আগামী ২১ আগস্ট প্রতিবেদন দাখিল করতে বলেছে।

আমিনুল ইসলাম মল্লিক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭ মে ২০১৯, ২০:৩৬ আপডেট: ০৭ মে ২০১৯, ২০:৩৬
প্রকাশিত: ০৭ মে ২০১৯, ২০:৩৬ আপডেট: ০৭ মে ২০১৯, ২০:৩৬


বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট। ফাইল ছবি

(প্রিয়.কম) দেশের সব প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল ভবন এবং মাদরাসার ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত করতে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট

৭ মে, মঙ্গলবার, জনস্বার্থে দায়ের করা এক রিট আবেদনের শুনানি করে বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার হুমায়ুন কবির পল্লব। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু।

একই সঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো তিন মাসের মধ্যে সংস্কার করে তা ঝুঁকিমুক্ত, নিরাপদ ও শিক্ষাবান্ধব করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই নির্দেশ বাস্তবায়ন করে স্থানীয় সরকার ও পল্লি উন্নয়ন (এলজিআরডি) মন্ত্রণালয় সচিব এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিএইডি) প্রধান প্রকৌশলী ও অতিরিক্ত প্রকৌশলীকে (ইমপ্লিমেন্টেশন অ্যান্ড বিল্ডিং মেইনটেন্যান্স ডিপার্টমেন্টে) আদালতে আগামী ২১ আগস্ট প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

আদেশের বিষয়টি প্রিয়.কমকে জানান রিটকারী আইনজীবী হুমায়ুন কবির পল্লব।

এর আগে বরগুনার তালতলীতে সরকারি স্কুলের ভবনের ছাদ ধসে পড়ে ছাত্রী নিহতের ঘটনায় গত ৭ এপ্রিল মানবাধিকার সংগঠন ল’ অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশনের পক্ষে ব্যারিস্টার হুমায়ন কবির পল্লব রিটটি দায়ের করেন। রিটে সারা দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাইস্কুল ও মাদরাসার ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিতকরণের নির্দেশনা চাওয়া হয়। ওই রিটের শুনানি নিয়ে আজ মঙ্গলবার আদেশ দিলো হাইকোর্ট।

ব্যারিস্টার পল্লব জানান, হাইকোর্ট প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল এবং মাদরাসায় নিরাপদ শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিত এবং নিরাপদ স্কুল ভবনের নিশ্চয়তা প্রদানেরও নির্দেশ দিয়েছে। রুল দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি আগামী ২১ আগস্ট এ মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছে।

প্রসঙ্গত, গত ৬ এপ্রিল বরগুনার তালতলীতে সরকারি স্কুলের ভবনের ছাদের বিম ধসে পড়ে এক ছাত্রী নিহত হয়। আহত হয় আরও অন্তত ৯ জন। উপজেলার ৫ নং ছোটবগী পিকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। উপজেলার ৫ নং ছোটবগী পিকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০০২ সালে আমতলী উপজেলা প্রকৌশলী বিভাগ স্কুল ভবনটি নির্মাণ করে। ওই সময় ভবনটি নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে নির্মাণ করা হয় বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেন।

প্রিয় সংবাদ/আজাদ চৌধুরী