সুপ্রিম কোর্ট (বামে), রিটকারী আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন (ডানে)। ছবি: প্রিয়.কম

আইনজীবী নিহত: বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ (ভিডিও)

আগামী ৩০ দিনের মধ্যে বিচার বিভাগীয় তদন্ত করে প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে বলেছে হাইকোর্ট।

আমিনুল ইসলাম মল্লিক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৮ মে ২০১৯, ১৫:২৬ আপডেট: ০৮ মে ২০১৯, ১৫:২৬
প্রকাশিত: ০৮ মে ২০১৯, ১৫:২৬ আপডেট: ০৮ মে ২০১৯, ১৫:২৬


সুপ্রিম কোর্ট (বামে), রিটকারী আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন (ডানে)। ছবি: প্রিয়.কম

(প্রিয়.কম) পঞ্চগড় জেলা কারাগারে থাকা অবস্থায় আইনজীবী পলাশ কুমার রায় আগুনে পুড়ে মারা যাওয়ার ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

৮ মে, বুধবার বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের  সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

পাশাপাশি পঞ্চগড়ের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের তত্ত্বাবধানে একজন বিচারিক হাকিমকে দিয়ে এ বিষয়ে তদন্ত করতে বলা হয়েছে। তদন্ত করার সময় বিচারিক হাকিমকে (ম্যাজিস্ট্রেট) পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক, জেল সুপার ও পুলিশ সুপারকে সহযোগিতা করতে বলা হয়েছে। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে বিচার বিভাগীয় তদন্ত করে প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে বলেছে হাইকোর্ট

এ মামলার পরবর্তী আদেশের জন্য আগামী ২৩ জুন সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন রিটকারী আইনজীবী ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমন। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোখলেসুর রহমান।

এর আগে গত ২৫ মার্চ দুপুরে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে তার (পলাশ) বিরুদ্ধে কোহিনুর কেমিক্যাল কোম্পানি নামে একটি প্রতিষ্ঠানের করা মামলা প্রত্যাহার দাবিতে পরিবারের লোকজন নিয়ে অনশন শুরু করেন পলাশ কুমার রায়। পরে সেখান থেকে উঠে তারা জেলা শহরের শের-ই-বাংলা পার্কসংলগ্ন মহাসড়কে এসে মানববন্ধন শুরু করেন।

ওই দিন বিকেলে প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি করার অভিযোগ এনে স্থানীয় বাসিন্দা রাজিব রানা পলাশের বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা করেন। পরে পলাশকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। আইনজীবী পলাশকে গত ২৬ এপ্রিল বিকেলে ঢাকা পাঠানোর কথা ছিল। কিন্তু সকালে হঠাৎ কারাগার হাসপাতালের বাইরে থাকা একটি টয়লেট থেকে তিনি অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় দৌড়ে বের হন।

এ সময় কারারক্ষীরা তাকে উদ্ধার করে শরীরের আগুন নেভান। আগুনে তার শরীরের ৪৭ শতাংশ পুড়ে যায়। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পরদিনই তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। পরে গত ৩০ এপ্রিল দুপুরে ঢামেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

প্রিয় সংবাদ/আজাদ চৌধুরী