রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির অপসারণ চেয়ে আইনি নোটিশ

নোটিশে ভিসির বিরুদ্ধে তথ্য গোপন ও প্রতারণার অভিযোগে, বে-আইনি কাজ সম্পাদনে পদত্যাগ চাওয়া হয়েছে বলে।

আমিনুল ইসলাম মল্লিক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৫ মে ২০১৯, ২২:০৬ আপডেট: ১৫ মে ২০১৯, ২২:০৬
প্রকাশিত: ১৫ মে ২০১৯, ২২:০৬ আপডেট: ১৫ মে ২০১৯, ২২:০৬


রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) অসত্য তথ্য দিয়ে পুনরায় নিয়োগ ও স্বপদে থাকার অভিযোগ এনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপার্চায অধ্যাপক ড. এম আব্দুস সোবহানের অপসারণ চেয়ে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

১৫ মে, বুধবার ডাক ও রেজিস্ট্রি  যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এক শিক্ষার্থীর পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন এই নোটিশ পাঠান।

ভিসি ছাড়া আরও পাঁচজনকে এ নোটিশেন অনুলিপি পাঠানো হয়েছে। যাদের পাঠানো হয়েছে তারা হলেন, রাষ্ট্রপতির কার‌্যালয় সচিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সচিব, রাবির রেজিস্ট্রার, ফলিত পদার্থ বিজ্ঞান ও ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সভাপতি।

নোটিশে ভিসির বিরুদ্ধে তথ্য গোপন ও প্রতারণার অভিযোগে, বে-আইনি কাজ সম্পাদনে পদত্যাগ চাওয়া হয়েছে বলে।

নোটিশ পাওয়ার সাত দিনের মধ্যে উপাচার্যকে অপসারণ করে তা লিখিতভাবে জবাব দিতে বলা হয়েছে। অন্যথায় সুপ্রিম কোর্টে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে জানান আইনজীবী।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী ও রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার কানাইডাংগা গ্রামের বাসিন্দা নোটিশ পাঠানো হয় সালমান ফিরোজ ফয়সালের পক্ষে। নোটিশে বলা হয়েছে, অধ্যাপক ড. এম. আব্দুস সোবহান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে ২০১৭ সালের ৭ মে চার বছরের জন্য দ্বিতীয় মেয়াদে নিয়োগ পান এবং ওইদিনই দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

দায়িত্ব গ্রহণের পর ২১ জুন তিনি উপাচার্যের পদে থেকে ফলিত পদার্থ বিজ্ঞান ও ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে অধ্যাপক হিসাবে যোগদান করেন। আবার ওইদিনই স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণ করেন। এর ফলে উপাচার্যের পদে সাময়িক শূন্যতা সৃষ্টি হয়। উপাচার্য পদের সাময়িক শূন্যতা পূরণ করার জন্য রাষ্ট্রপতির অনুমতি ছাড়াই একদিনের জন্য বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. আখতার ফারুককে ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য নিয়োগ দেন। যা ১৯৭৩ সালের বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশের পরিপন্থি।

আইনজীবী মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘এসব কাজের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে তিনি তথ্য গোপন ও প্রতারণার মাধ্যমে যোগদান ও স্বেচ্ছা অবসরের অনুমতি নিয়েছেন। অবসরের পূর্ণ সুবিধা এককালীন পাওয়ার জন্যই এই কাজ করেছেন তিনি। কারণ ওই বছরের ১ জুলাইয়ের পর অবসর নিলে তিনি অবসরকালীন ৫০ শতাংশের বেশি টাকা একবারে উত্তোলন করতে পারতেন না।’

তাই বেআইনি কাজ সম্পাদন, তথ্য গোপন ও প্রতারণার অভিযোগে তার এই পদত্যাগ চাওয়া হয়েছে বলে জানান আইনজীবী মুজাহিদুল ইসলাম।

প্রিয় সংবাদ/কামরুল

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...