ছবি: সংগৃহীত

কৃষকের ধান কাটছেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক

শিক্ষার্থীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকও ছুটে এসেছেন ধান কাটতে।

মোক্তাদির হোসেন প্রান্তিক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৭ মে ২০১৯, ১৯:৪৭ আপডেট: ১৭ মে ২০১৯, ১৯:৪৭
প্রকাশিত: ১৭ মে ২০১৯, ১৯:৪৭ আপডেট: ১৭ মে ২০১৯, ১৯:৪৭


ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) শ্রমিকের চড়া মজুরির কারণে কৃষকেরা যখন ধান কাটাতে পারছেন না, ঠিক তখন শেরপুরের একদল শিক্ষার্থীর উদ্যোগে এলাকার দরিদ্র কৃষকের পাকা ধান স্বেচ্ছায় কেটে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকও ছুটে এসেছেন ধান কাটতে।

তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক ও সভাপতি ড. সৈয়দ মো.আবদুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী।

১৭ মে, শুক্রবার সকাল থেকে ৫০ বিঘা জমির ধান কাটার প্রাথমিক পরিকল্পনা নিয়ে দিনব্যাপী এ কর্মসূচি অব্যাহত থাকার কথা বলছেন আয়োজকরা।

এদিকে স্বেচ্ছাশ্রমে ধান কেটে দেওয়ার খবর পেয়ে সাবেক এক শিক্ষার্থীর আহ্বানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক ও সভাপতি ড. মামুনও একাত্মতা ঘোষণা করে শেরপুরের ওই গ্রামে এসেছেন ধান কাটতে।

তিনি বলেন, ‘শেরপুরে স্বেচ্ছাশ্রমে এই ধান কাটা কর্মসূচিটা হলো একটি দৃষ্টান্ত ও অনুকরণীয়। সারা দেশে এখন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ বন্ধু আছে—এখন যদি শেরপুরের এই যুবক-শিক্ষার্থীদের মতো অসহায় কৃষকের ধান কেটে দেয় তাহলে কৃষকেরা উপকৃত হবে। কারণ কৃষক বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে। আমি আমার এক সাবেক ছাত্রের আহ্বানে স্বেচ্ছায় শেরপুর এসেছি তাদের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করে ধান কাটতে।’

জানা যায়, শেরপুর সদর উপজেলার চর মুছারিয়া ইউনিয়নের মুন্সিরচর গ্রামের স্থানীয় হোসাইন মারুফ ক্রীড়াচক্রের উদ্যোগে স্বেচ্ছাশ্রমে এ ধানকাটার কর্মসূচি গ্রহণ করেন।

তারা স্থানীয় দরিদ্র কৃষক, যাদের ধান ইতোমধ্যে পেকে গেছে কিন্তু শ্রমিকের চড়া মূল্যের জন্য ধান কাটতে পারছেন না, তাদের ধান শুক্রবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত কেটে দিয়েছেন। এ সময় তাদের সঙ্গে যোগ দেন স্থানীয় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন বয়সের মানুষ। কৃষকরাও খুশি স্বেচ্ছাশ্রমে স্থানীয় যুবকরা উদ্যোগী হয়ে ধান কেটে দেওয়ায়।

প্রিয় সংবাদ/আজাদ চৌধুরী