সুন্দরবন থেকে আসা বাঘের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন গ্রামবাসী। ছবি: সংগৃহীত

বাঘ আতঙ্কে রাত জেগে গ্রাম পাহারা

এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন এলাকাবাসী। বাঘের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে গ্রামের মানুষ রাত জেগে পাহারা দিচ্ছে।

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ১৭ মে ২০১৯, ২১:৪৮ আপডেট: ১৭ মে ২০১৯, ২১:৪৯
প্রকাশিত: ১৭ মে ২০১৯, ২১:৪৮ আপডেট: ১৭ মে ২০১৯, ২১:৪৯


সুন্দরবন থেকে আসা বাঘের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন গ্রামবাসী। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) গত চার দিন ধরে বরগুনার তালতলীবাসী পার্শ্ববর্তী সুন্দরবন থেকে আসা বাঘের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন। একের পর এক গৃহপালিত পশু খেয়ে ফেলছে বাঘ। বাঘের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে গ্রামের আতঙ্কিত মানুষ রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন।

স্থানীয়রা জানান, গত ১৫ মে, বুধবার রাত ১টার দিকে মরানিদ্রা সরকারি প্রাইমারি বিদ্যালয়সংলগ্ন লালমিয়া ফরাজী বাড়ির একটি দুই বছরের বাছুর বাঘ আক্রমণ করে অর্ধেক খেয়ে ফেলে। পরের রাতে নিশানবাড়িয়ার সোহরাব হাওলাদারের দুটি ছাগল খেয়ে ফেলে, আমখোলা গ্রামের খলিল খানের মুরগির খোপে হামলা চালায়।

প্রতিনিয়ত বাঘ আতঙ্ক বিরাজ করছে তালতলী উপজেলার সর্বত্র। বাঘ আতঙ্কে গ্রামের নারী-শিশু-বৃদ্ধ সন্ধ্যার পর বাড়ি থেকে বের হচ্ছেন না।

এ ঘটনায় স্থানীয় লোকজন রাতে টর্চলাইট ও লাঠিসোটা নিয়ে বের হলে চার হাত লম্বা আকৃতির বাঘ দেখতে পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন।

এ বিষয়ে তালতলী উপজেলা রেঞ্জ বন কর্মকর্তা নয়ন মিস্ত্রি জানান, পার্শ্ববর্তী সুন্দরবন থেকে তালতলীর মরানিদ্রা এলাকায় বাঘ ঢুকেছে। বাঘটি ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে সাগরের পানির স্রোতের তোড়ে পার্শ্ববর্তী সুন্দরবন থেকে ভেসে আসতে পারে।

বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন বলেও জানান নয়ন মিস্ত্রি। 

প্রিয় সংবাদ/কামরুল/আজাদ চৌধুরী