জুলাইয়ের প্রথম দিন থেকেই নাগরিকদের হাতে ই-পাসপোর্ট তুলে দিতে পুরোদমে কাজ চলছে।

জুলাই থেকে ১০ বছর মেয়াদের ই-পাসপোর্ট

পৃথিবীতে ১১৯টি দেশের নাগরিকরা ই-পাসপোর্ট ব্যবহার করে। বাংলাদেশও ওই দেশগুলোর সঙ্গে যুক্ত হতে যাচ্ছে।

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ১৯ মে ২০১৯, ১৬:৫৯ আপডেট: ১৯ মে ২০১৯, ১৭:০০
প্রকাশিত: ১৯ মে ২০১৯, ১৬:৫৯ আপডেট: ১৯ মে ২০১৯, ১৭:০০


জুলাইয়ের প্রথম দিন থেকেই নাগরিকদের হাতে ই-পাসপোর্ট তুলে দিতে পুরোদমে কাজ চলছে।

(প্রিয়.কম) চলতি বছরের জুলাই থেকে ৫ ও ১০ বছর মেয়াদের ইলেকট্রনিক্স বা ই-পাসপোর্ট ইস্যু করা হবে। গত ১৫ মে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভায় এ কথা জানানো হয়।

আগামী ১ জুলাই থেকে ৫ ও ১০ বছর মেয়াদের অত্যাধুনিক ই-পাসপোর্ট পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশের নাগরিকরা। এই পাসপোর্টের ডাটা থাকবে পৃথিবীর অন্যান্য দেশের ডাটাবেইজেও। এই উদ্যোগ ২০১৭ সালে নেওয়া হলেও বিভিন্ন কারণে তা করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। অবশেষে আগামী জুনের মধ্যে সার্বিক প্রস্তুতি শেষ করে জুলাইয়ের প্রথম দিন থেকেই নাগরিকদের হাতে ই-পাসপোর্ট তুলে দিতে পুরোদমে কাজ চলছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পৃথিবীতে ১১৯টি দেশের নাগরিকরা ই-পাসপোর্ট ব্যবহার করে। বাংলাদেশও ওই দেশগুলোর সঙ্গে যুক্ত হতে যাচ্ছে। ই-পাসপোর্ট প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে চার হাজার ৫৬৯ কোটি টাকা।

কমিটির সভাপতি মুহাম্মদ ফারুক খানের সভাপতিত্বে সভায় বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশি মিশনগুলোকে পাসপোর্ট ইস্যু ও নবায়ন কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করতে মনিটরিং কার্যক্রম জোরদার করার সুপারিশ করা হয়।

কমিটির সদস্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ. কে. আবদুল মোমেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, নুরুল ইসলাম নাহিদ, মো. আব্দুল মজিদ খান, নাহিম রাজ্জাক ও নিজাম উদ্দিন জলিল (জন) সভায় অংশগ্রহণ করেন।

সভায় ২০২০ সালের ‘মুজিব বর্ষ’ পালনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মপরিকল্পনা ও প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। ‘মুজিব বর্ষ’ পালনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে গঠিত আন্তর্জাতিক যোগাযোগ কমিটির সিদ্ধান্তসমূহ স্থায়ী কমিটিকে অবহিত করা এবং গৃহীত কর্মসূচিগুলো চূড়ান্ত করে সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য সাব-কমিটি গঠন এবং সম্ভাব্য বাজেট প্রণয়নের সুপারিশ করা হয়। এ ছাড়াও ‘মুজিব বর্ষ’ পালনকালে সব মিশনের সামনে দৃষ্টিনন্দন ব্যানার ও ফেস্টুন দিয়ে বছরব্যাপী অনুষ্ঠান পালনের আবহ তৈরি করার সুপারিশ করা হয়।

সভায় তিউনেশিয়ার ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে অবৈধভাবে বিদেশ গমনের সময় নিহত বাংলাদেশিদের জন্য শোক ও দুঃখ প্রকাশ করা হয়। যেসব দালাল চক্র অবৈধ মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত তাদেরকে চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে মন্ত্রণালয়কে ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট মিশনসমূহকে আহত ও নিহতদের সহযোগিতা প্রদানের সুপারিশ করা হয়।

সভায় মিশনগুলোতে জনবলের স্বল্পতা নিয়ে আলোচনা করে এ সমস্যা সমাধানে মন্ত্রণালয়কে দ্রুত জনবল নিয়োগের পাশাপাশি তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে স্বল্প জনবল সমস্যার সমাধান করার সুপারিশ করা হয়।

সভায় কমিটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রশিক্ষণ একাডেমি পরিদর্শনের জন্য মন্ত্রণালয়কে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

প্রিয় সংবাদ/কামরুল/রিমন