ধানের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা এবং পাটকল শ্রমিকদের বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবিতে রবিবার দুদিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি।

ধানের নায্য মূল্যের দাবিতে বিএনপির ২ দিনের কর্মসূচি

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ১৯ মে ২০১৯, ২০:০৭ আপডেট: ১৯ মে ২০১৯, ২০:২০
প্রকাশিত: ১৯ মে ২০১৯, ২০:০৭ আপডেট: ১৯ মে ২০১৯, ২০:২০


ধানের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা এবং পাটকল শ্রমিকদের বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবিতে রবিবার দুদিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি।

(প্রিয়.কম) ধানের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা এবং পাটকল শ্রমিকদের বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবিতে রবিবার দুদিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী ২১ মে দেশব্যাপী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে স্মারকলিপি এবং ২৩ মে সারাদেশে ইউনিয়ন পর্যায়ের হাটে-বাজারে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করবে তারা।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

এবারের বোরো ধানের নির্ধারিত দাম নিয়ে কৃষকদের মধ্যে চরম অসন্তোষ থাকলেও ‘ধানের দাম বাড়ানোর সুযোগ আপাতত সরকারের হাতে নেই’ কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাকের এমন মন্তব্যের সমালোচনা করেন রিজভী।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘কৃষকদের পথে বসিয়ে নিজেদের লোকদের টাকা লুটের সুযোগ করে দিতেই ধানের ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে কৃষকদের। কৃষকদের পেটে লাথি মারতেই তৎপর মধ্যরাতের ভোটের সরকার।’

বিএনপি নেতা বলেন, ‘ধানের ন্যয্য মূল্য না থাকায় টাঙ্গাইলের কালিহাতি, জয়পুরহাট, নেত্রকোণাসহ বিভিন্ন স্থানে কৃষক পাকা ধান ক্ষেতে আগুন দিয়ে প্রতিবাদ করছে। উৎপাদন খরচ থেকে ৩০০ টাকা কমে প্রতিমণ ধান বিক্রি করতে হচ্ছে কৃষকদের।’

রিজভী বলেন, ‘পুঁজিপতিরা তো বিশাল ঋণ মওকুফ পাচ্ছে, হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করে খাচ্ছে, মেগা প্রকল্পের নামে দেশজুড়ে হরিলুট চলছে। অথচ ১৭ কোটি মানুষের খাদ্যের যোগানদাতা অসহায় কৃষকদের ভর্তুকি দেয়া হচ্ছে না বরং ন্যায্য মূল্য থেকে তারা বঞ্চিত হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সরকার প্রতিমণ ধান কেনার জন্য ১ হাজার ৪০ টাকা নির্ধারণ করলেও কৃষকের হাতে যাচ্ছে ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা। বাকি টাকা চলে যাচ্ছে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা, মিল মালিক এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পকেটে। এ নিয়ে সারা দেশে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হলেও সরকারের টনক নড়ছে না।’

মধ্যস্থতাকারী সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে ধান না কিনে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকেই ধান ক্রয় করে ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করে মধ্যস্বত্বভোগী সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য বন্ধ করতে সরকারকে আহ্বান জানান বিএনপির সিনিয়র এ নেতা।

রাষ্ট্র মালিকানাধীন পাটকল শ্রমিকদের চলমান আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বকেয়া মজুরিসহ ৯ দফা দাবিতে বাংলাদেশে রাষ্ট্রায়ত্ত বিভিন্ন পাটকলের শ্রমিকরা আন্দোলন করছে, তাদের প্রত্যেকটা দাবিই যৌক্তিক।’

প্রিয় সংবাদ/কামরুল