ছবি: সংগৃহীত

সড়ক না থাকায় পরিত্যক্ত ১৪ কোটি টাকার সেতু

সেতু নির্মাণ হলেও তার দুই পাশে সংযোগ সড়কের অভাবে ওই সেতুতে চলাচল শুরু হয়নি। এতে এলাকাবাসী এখনো দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।

মোক্তাদির হোসেন প্রান্তিক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২০ মে ২০১৯, ১৬:২৫ আপডেট: ২০ মে ২০১৯, ১৬:২৫
প্রকাশিত: ২০ মে ২০১৯, ১৬:২৫ আপডেট: ২০ মে ২০১৯, ১৬:২৫


ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগরের কৃষ্ণনগরে পাগলা নদীর ওপর নির্মিত সেতুটি শুধু সংযোগ সড়কের অভাবে দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। ওই অঞ্চলের মানুষের বহু বছরের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ১৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৮০ মিটার দীর্ঘ সেতুটি নির্মাণের দেড় বছর পার হলেও সেটি ব্যবহার হচ্ছে না। সেতু থাকলেও এখনো মানুষকে পাগলা নদী পাড়ি দিতে নৌকাই তাদের ভরসা।

সেতুর কৃষ্ণনগর অংশ থেকে জনপ্রতি ১০ টাকা দিয়ে নৌকায় করে ওপারে যাচ্ছেন লোকজন। পরে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে জেলা সদরে যাচ্ছে তারা।

তবে স্থানীয় সংসদ সদস্য এবাদুল করিম বুলবুল বলেন, দ্রুতই প্রকল্প বাস্তবায়নে নির্মাণ প্রতিষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি সমাধান করা হবে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, নবীনগরের উত্তরাঞ্চলের কৃষ্ণনগর, বড়াইল ও বীরগাঁও ইউনিয়ন এবং পাশের সদর উপজেলার অর্ধশত গ্রামের হাজার হাজার মানুষ একটি সড়ক ও সেতুর অভাবে বছরের পর বছর দুর্ভোগ পোহাচ্ছিলেন।

তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বর্তমান সরকার কৃষ্ণনগর থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গোকর্ণঘাট পর্যন্ত পাকা সড়ক (পিচঢালা) ও সেতু নির্মাণ করে। অথচ শুধু সেতুর দুই অংশের সংযোগ সড়কের অভাবে ওই সেতুতে জনচলাচল শুরু হয়নি। এতে এলাকাবাসী এখনো দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।

উপজেলা প্রকৌশল অফিস সূত্রে জানা যায়, সরকারের আরটিআইপি-২ প্রকল্পের অধীনে সেতুটি বাস্তবায়ন করেছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর (এলজিইডি)। সেতুটি নির্মাণে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ছিল ‘হাসান এন্টারপ্রাইজ’।

সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানায়, পাগলা নদীর ওপর ১৮০ মিটার দীর্ঘ ওই সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০১৬ সালের জানুয়ারি মাসে। এতে ব্যয় হয় প্রায় ১৪ কোটি টাকা। সেতুটির কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০১৭ সালের মে মাসে। পরে ২০১৮ সালের জুন মাস পর্যন্ত সময় বাড়ানো হলেও তার আগেই কাজ সমাপ্ত হয় এবং পরে সেটি চলাচলের জন্য উম্মুক্ত করে দেওয়া হয়। কিন্তু সেতুটির সংযোগ সড়ক না হওয়ায় সেটি অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম বলেন, সেতুটির দুই পাশে জায়গা নিয়ে জটিলতা ছিল। সেটা দূর হয়েছে। দ্রুত এর কাজ শেষ করা হবে।

প্রিয় সংবাদ/রিমন