বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেত্রী জারিন দিয়া। ফাইল ছবি

জারিনের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের আশ্বাস দিলো ছাত্রলীগ

আমি যদি মারা যাই শোভন-রাব্বানী ভাইদের কাছ থেকে প্রশ্নগুলির উত্তর নিয়ে আমাকে কলঙ্কমুক্ত করবেন পারলে।

মোক্তাদির হোসেন প্রান্তিক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৩ মে ২০১৯, ১২:৫৮ আপডেট: ২৩ মে ২০১৯, ১২:৫৮
প্রকাশিত: ২৩ মে ২০১৯, ১২:৫৮ আপডেট: ২৩ মে ২০১৯, ১২:৫৮


বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেত্রী জারিন দিয়া। ফাইল ছবি

(প্রিয়.কম) ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করা বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেত্রী জারিন দিয়ার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের আশ্বাস দিয়েছেন সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।

২২ মে, বুধবার রাত ১০টার দিকে ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে জারিনকে দেখতে যান। সেখানে তারা এমন আশ্বাস দেন।

আত্মহত্যার চেষ্টার আগে ছাত্রলীগ সভাপতি রেওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন এবং সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর প্রতি কিছু প্রশ্ন রেখে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। নতুন কমিটিতে পদ না পাওয়ার এবং তারপরের কিছু ঘটনা উল্লেখ করে নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে জারিন দিয়া লিখেছিলেন, ‘আমি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছি। জানি না কী করবো। আমি যদি মারা যাই শোভন-রাব্বানী ভাইদের কাছ থেকে প্রশ্নগুলির উত্তর নিয়ে আমাকে কলঙ্কমুক্ত করবেন পারলে।’

এদিকে সংগঠনটির গত কমিটির সমাজসেবা সম্পাদক রানা হামিদ জানান, ২২ মে বুধবার রাত ১০টার দিকে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক জারিন দিয়াকে দেখতে আসেন। তখন তারা দিয়ার বাবা-মায়ের কাছে তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে নেওয়ার আশ্বাস দেন।

এ বিষযে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী বলেন, ‘দিয়া তার ভুল বুঝতে পেরেছে। সে তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে এর জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে। আর মানবিক দিক বিবেচনায় নিয়ে আমরা তার বহিষ্কারাদেশ বিবেচনা করবো।’

গত ১৩ মে সন্ধ্যায় মধুর ক্যান্টিনে মারামারির ঘটনায় জড়িত থাকার দায়ে ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার হওয়ার পর গত ২০ মে সোমবার রাতে ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন জারিন। পরে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে মঙ্গলবার দুপুরে তাকে বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে স্ট্রোক করে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি হন জারিন।

প্রিয় সংবাদ/রুহুল