ইথিওপিয়ায় ইউনিসেফের শুভেচ্ছাদূত প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। ছবি: সংগৃহীত

ইথিওপিয়ার শরণার্থী শিশুদের সঙ্গে ইউনিসেফের শুভেচ্ছাদূত প্রিয়াঙ্কা

অভিনয়ের পাশাপাশি ইউনিসেফের গুডউইল অ্যাম্বাসেডর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আন্তর্জাতিক তারকা প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। সেই সূত্রে ইথিওপিয়ায় শরণার্থীদের সঙ্গে সময় কাটাতে দেখা গেল দেশি গার্লকে।

শামীমা সীমা
সহ সম্পাদক
প্রকাশিত: ২৩ মে ২০১৯, ১৯:৫১ আপডেট: ২৩ মে ২০১৯, ১৯:৫১
প্রকাশিত: ২৩ মে ২০১৯, ১৯:৫১ আপডেট: ২৩ মে ২০১৯, ১৯:৫১


ইথিওপিয়ায় ইউনিসেফের শুভেচ্ছাদূত প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) দিন কয়েক আগেই কান চলচ্চিত্র উৎসবে প্রথম বারের মতো হাজির হয়ে চমকে দিয়েছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। এই অনুষ্ঠানে স্বামী নিক জোনাসের সঙ্গে বিভিন্ন সাজে লাল গালিচার শোভা বাড়াতে দেখা যায় প্রিয়াঙ্কাকে। আর ফ্রান্সের সেই তারকাখচিত উৎসব থেকেই তিনি সরাসরি এসে পৌঁছেছেন ইথিওপিয়ায়। অভিনয়ের পাশাপাশি ইউনিসেফের গুডউইল অ্যাম্বাসেডর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আন্তর্জাতিক তারকা প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। সেই সূত্রে ইথিওপিয়ায় শরণার্থীদের সঙ্গে সময় কাটাতে দেখা গেল দেশি গার্লকে।

ইথিওপিয়ায় শিশুদের সঙ্গে ইউনিসেফের শুভেচ্ছাদূত প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। ছবি: সংগৃহীত

পৃথিবীজুড়ে বাড়ছে শরণার্থী সমস্যা। মিয়ানমারের রোহিঙ্গা উপজাতি হোক বা সিরিয়ার কোনো শরণার্থী সম্প্রদায়, তাদের জীবনটাই কেটে যায় এক দেশ থেকে অন্য দেশে ঘুরতে ঘুরতে। সেই মানুষগুলোর পাশে দাঁড়াতে ইথিওপিয়া পৌঁছান প্রিয়াঙ্কা। ইউনিসেফের গুডউইল অ্যাম্বাসেডর হওয়ার সুবাদে সারা পৃথিবীজুড়ে এই ধরনের সেবাকল্যাণমূলক ভ্রমণ করছেন প্রিয়াঙ্কা।

প্রিয়াঙ্কা ইথিওপিয়ায় গিয়েছেন মূলত ছেলে-মেয়েদের অধিকার ও ক্ষমতায়ন নিয়ে কাজ করতে। সেখানকার জেন্ডার ক্লাবের সদস্যদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করেছেন তিনি। একই সঙ্গে সেই সব অসহায় মানুষের সঙ্গে হেসে-খেলে আনন্দ করে, নাচ-গান করে কাটালেন প্রিয়াঙ্কা। এ ছাড়া এবারের ইথিওপিয়া সফরে প্রিয়াঙ্কা দেখা করেছেন ইথিওপিয়ার রাষ্ট্রপতি শাহলে ওর্ক জিউডের সঙ্গেও। এই দেশের প্রথম নারী রাষ্ট্রপতির প্রশংসা করতে শোনা যায় অভিনেত্রীর কাছ থেকে।

ইথিওপিয়ায় ইউনিসেফের শুভেচ্ছাদূত প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। ছবি: সংগৃহীত

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রিয়াঙ্কা শেয়ার করেছেন তার এই অভিজ্ঞতার ছবি আর ভিডিও। সেখানে প্রিয়াঙ্কা এসব শরণার্থীর ভ্রাম্যমাণ জীবনের কথাও লিখেছেন। সফরের প্রথম দিনের একটি ভিডিও শেয়ার করে প্রিয়াঙ্কা জানান, ‘সিবিসতে নেগাসি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়েছিলাম। ২০০০ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে স্কুলপড়ুয়া ছেলে-মেয়ের ভর্তির সংখ্যা বেড়েছে তিন গুণ। ইথিওপিয়ান সরকারের উদ্যোগেই এটা সম্ভব হয়েছে।’

ইথিওপিয়ায়  ইউনিসেফের শুভেচ্ছাদূত প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। ছবি: সংগৃহীত

প্রিয়াঙ্কা বলেন, ‘এখনো অনেক কাজ বাকি। স্কুলে পড়ার মতো বয়সী প্রায় ২.৬ মিলিয়ন শিশু এখনো স্কুলে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পায়নি। যারা পড়ছে, তাদের মধ্যে ৫০% অষ্টম শ্রেণির পরেই স্কুল ছেড়ে দেয়। দারিদ্র্যের জন্য পড়াশোনার চেয়ে তাদের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে সাংসারিক দায়িত্ব।’

সূত্র: গালফ নিউজ

প্রিয় বিনোদন/আজাদ চৌধুরী