সুরেন্দ্র সিং-এর লাশ বহন করে নিয়ে যাচ্ছেন স্মৃতি ইরানি। ছবি: সংগৃহীত

দেহরক্ষীর লাশ কাঁধে বইলেন বিজেপি নেত্রী ইরানি

এবারের নির্বাচনে স্মৃতি ইরানিই সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে লড়েছে। যে আসন গান্ধী পরিবারের ছিল তা বিজেপিকে উপহার দিয়েছেন স্মৃতি।

মোক্তাদির হোসেন প্রান্তিক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৭ মে ২০১৯, ১৪:১৮ আপডেট: ২৭ মে ২০১৯, ১৪:১৮
প্রকাশিত: ২৭ মে ২০১৯, ১৪:১৮ আপডেট: ২৭ মে ২০১৯, ১৪:১৮


সুরেন্দ্র সিং-এর লাশ বহন করে নিয়ে যাচ্ছেন স্মৃতি ইরানি। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) ভারতের সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচন শেষে বিপুল ভোটে জয় পেয়ে বিজেপি যখন আনন্দে মাতোয়ারা, তখনই খুন হলেন বিজেপি নেত্রী স্মৃতি ইরানির বডিগার্ড সুরেন্দ্র সিং।

২৫ মে, শনিবার রাতে বারাউলি গ্রামে নিজ বাড়িতে ঘুমন্ত অবস্থায় স্মৃতির দেহরক্ষীর দায়িত্ব পালন করে আসা সুরেন্দ্র সিংকে খুন করে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতকারীরা।

নিজের দেহরক্ষীর খুন হওয়ার খবর পেয়ে সব ধরনের উৎসব ও পরিকল্পনা বাদ দিয়ে আমেথি থেকে দ্রুত বারাউলিতে ছুটে যান স্মৃতি। সেখানে সুরেন্দ্রের পরিবারকে শুধু সান্ত্বনাই দেননি তিনি, শ্মশানঘাটে মরদেহ বহন করে নিয়ে যাওয়াদের সঙ্গীও হন। শেষযাত্রায় অশ্রুভেজা চোখে নিজের দেহরক্ষীর নিথরদেহ কাঁধে তুলে নেন স্মৃতি ইরানি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর, বারাউলি গ্রামের সাবেক পঞ্চায়েত প্রধানও ছিলেন ৫০ বছর বয়সী সুরেন্দ্র। স্থানীয়ভাবে তার অনেক পরিচিতি ও গ্রহণযোগ্যতা ছিল। এবারের নির্বাচনে স্মৃতি ইরানির হয়ে আমেথির নানা প্রান্তে ঘুরে বেড়িয়ে প্রচারণা চালিয়ে ছিলেন তিনি। নির্বাচনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত স্মৃতি ইরানির ছায়াসঙ্গী হয়েছিলেন সুরেন্দ্র। স্মৃতির নির্বাচনি প্রচারে আপ্রাণ পরিশ্রম করেছিলেন তিনি।

স্থানীয়দের দাবি, এবারের নির্বাচনে স্মৃতিই সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে লড়েছে। যে আসন গান্ধী পরিবারের ছিল তা বিজেপিকে উপহার দিয়েছেন স্মৃতি। আর স্মৃতি ইরানির এই জয়ের নেপথ্যে অন্যতম প্রধান কারিগর ছিলেন সুরেন্দ্র সিং।

স্থানীয় পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতে সুরেন্দ্রের বাড়িতে ঢুকে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে তাকে খুন করে অজ্ঞাতরা। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।

আমেথির পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, রাজনৈতিক কারণে খুন নাকি ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে এই ঘটনা, সে বিষয়ে জোর তদন্ত চলছে।

প্রিয় সংবাদ/রুহুল