পুলিশ কনস্টেবল পারভেজ। ছবি: সংগৃহীত

কেটে ফেলা হলো সেই কনস্টেবল পারভেজের পা

জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে (পঙ্গু হাসপাতাল) অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার ডান পায়ে হাঁটুর নিচের অংশ কেটে ফেলা হয়।

মোক্তাদির হোসেন প্রান্তিক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৯ মে ২০১৯, ১০:৫২ আপডেট: ২৯ মে ২০১৯, ১০:৫২
প্রকাশিত: ২৯ মে ২০১৯, ১০:৫২ আপডেট: ২৯ মে ২০১৯, ১০:৫২


পুলিশ কনস্টেবল পারভেজ। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) ২০১৭ সালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে ডোবায় ডুবে যাওয়া বাসের ২০ যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করে আলোচনায় এসেছিলেন পুলিশ কনস্টেবল পারভেজ। ওই সাহসী পুলিশ সদস্য সম্প্রতি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হন। আর দুর্ঘটনায় থেঁতলে যাওয়া তার ডান পা কেটে ফেলা হয়েছে।

২৮ মে, মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে (পঙ্গু হাসপাতাল) অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তার ডান পায়ের হাঁটুর নিচের অংশ কেটে ফেলা হয়।

হাসপাতালটির পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আবদুল গণি মোল্লা জানান, ‘দুর্ঘটনায় আহত পারভেজের পায়ের পচা ও থেঁতলে যাওয়া অংশ কেটে ফেলা হয়েছে। অস্ত্রোপচারের পর তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়েছে।’

 তিনি জানান, পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কনস্টেবল পারভেজের জন্য মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। পারভেজের জীবন বাঁচাতেই এই বোর্ডের পরামর্শে পরিবারের অনুমতি সাপেক্ষে পাটি কেটে ফেলা হয়।

২৭ মে, সোমবার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়ার জামালদি বাসস্ট্যান্ডের পারভেজকে একটি বেপরোয়া কাভার্ডভ্যান ধাক্কা দেয়। এ সময় গুরুতর আহত হন পারভেজ। তিনি ডান পায়ের গোড়ালি ও হাতে মারাত্মক আঘাত পান।

জানা গেছে, পারভেজ আহত হওয়ার পর প্রথমে ‘ট্রমালিংক’র স্বেচ্ছাসেবক তাকে উদ্ধার করে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখান থেকে রাজারবাগের কেন্দ্রীয় পুলিশ লাইন্স হাসপাতাল, ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল হয়ে পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

২০১৭ সালের ৭ জুলাই ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কুমিল্লার দাউদকান্দিতে চাঁদপুরগামী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডোবায় পড়ে। পরে তৎকালীন দাউদকান্দি হাইওয়ে থানা পুলিশ কনস্টেবল পারভেজ মিয়া ইউনিফর্ম পরেই পানিতে নেমে জীবনবাজি রেখে ২০ জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করেন। পরে এই সাহসিকতার জন্য পুলিশের সর্বোচ্চ পুরস্কার বাংলাদেশ পুলিশ মেডেল (বিপিএম) পান তিনি।

প্রিয় সংবাদ/আশরাফ