প্রতীকী ছবি

টেকনাফে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৩ রোহিঙ্গা নিহত

ঘটনাস্থল থেকে তিনটি দেশীয় এলজি বন্দুক, ৮ রাউন্ড গুলি ও ১১ রাউন্ড গুলির খোসা উদ্ধার করেছে বলেও পুলিশ দাবি করেছে। বন্দুকযুদ্ধে পুলিশের তিন সদস্যও আহত হয়েছেন।

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ০৭ জুন ২০১৯, ১০:৩০ আপডেট: ০৭ জুন ২০১৯, ১০:৩০
প্রকাশিত: ০৭ জুন ২০১৯, ১০:৩০ আপডেট: ০৭ জুন ২০১৯, ১০:৩০


প্রতীকী ছবি

(প্রিয়.কম) কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ তিন রোহিঙ্গা সদস্য নিহত হয়েছেন। পুলিশের দাবি, নিহত ব্যক্তিরা সন্ত্রাসী ছিল।

৭ জুন, শুক্রবার ভোরে টেকনাফের লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পেছনের পাহাড়ের পাদদেশে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তিদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনাস্থল থেকে তিনটি দেশীয় এলজি বন্দুক, ৮ রাউন্ড গুলি ও ১১ রাউন্ড গুলির খোসা উদ্ধার করেছে বলেও পুলিশ দাবি করেছে। বন্দুকযুদ্ধে পুলিশের তিন সদস্যও আহত হয়েছেন। 

নিহত রোহিঙ্গা সদস্যরা হলেন- কক্সবাজারের উখিয়া থাইংখালি ১৩ রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি-১ ব্লকের বাসিন্দা নূর মোহাম্মদের ছেলে শামসুল আলম (৩৫), সি-২ ক্যাম্পের বাসিন্দা মোক্তার আহমদের ছেলে নুর আলম (২১) ও টেকনাফের লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্প সি- ব্লকের বাসিন্দা আজিজুর রহমানের ছেলে হাবিব (২০)।

টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘নিহত ব্যক্তিরা অপহরণকারী দলের সদস্য ও রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী। কিছু দিন আগে অপহরণকারীরা ৩ বছরের এক শিশুকে অপহরণ করে মুক্তিপণ হিসেবে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। পরে পুলিশের অভিযানে বেগতিক দেখে অপহরণকারীরা ওই শিশুকে ফেরত দেয়।’

তিনি আরও জানান, রাতে পুলিশ জানতে পারে ওই অপহরণকারী চক্রের সদস্যরা লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পাশে পাহাড়ে অবস্থান করছে। এতে পুলিশের একটি দল পাহাড়ে অভিযানে গেলে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা গুলি ছোড়ে। পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এক পর্যায়ে সন্ত্রাসীরা পিছু হটে। এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে গুলিবিদ্ধ তিনজনকে উদ্ধার করে। পরে তাদের টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়। 

প্রিয় সংবাদ/রুহুল

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...