নুসরাত জাহান রাফি। ছবি: সংগৃহীত

নুসরাত হত্যায় চার্জশিট আমলে নিয়েছে আদালত, খালাস ৫

নুসরাত হত্যা মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি আওয়ামী লীগ নেতা রুহুল আমিন, কাউন্সিলর মাকসুদ আলম, প্রভাষক আবসার উদ্দিন, মো. শামিম, ইফতেখার উদ্দিন, নূর উদ্দিন জামিন আবেদন করলে তা নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত।

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ১০ জুন ২০১৯, ১৫:৩৩ আপডেট: ১০ জুন ২০১৯, ১৫:৩৩
প্রকাশিত: ১০ জুন ২০১৯, ১৫:৩৩ আপডেট: ১০ জুন ২০১৯, ১৫:৩৩


নুসরাত জাহান রাফি। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) ফেনীর মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় অভিযোগপত্র (চার্জশিট) আমলে নিয়েছে আদালত। একইসঙ্গে অভিযোগপত্রে নাম থাকা আসামিদের জামিন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

১০ জুন, সোমবার ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদ এ আদেশ দেন। এ ছাড়া  হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে গ্রেফতার নুসরাতের সহপাঠী আরিফুল ইসলাম, নূর হোসেন, কেফায়াত উল্লাহ জনি, মোহাম্মদ আলা উদ্দিন ও শাহিদুল ইসলামের নাম চার্জশিটে না থাকায় মামলা থেকে তাদের খালাস দিয়েছে আদালত।

জেলা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) প্রিয়রঞ্জণ দত্ত সংবাদমাধ্যমকে জানান, কড়া নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে নুসরাত হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে গ্রেফতার ২১ আসামিকে আদালতে আনা হয়। এ সময় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) ১৬ আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করে দেওয়া চার্জশিট আমলে নেয় আদালত। আগামী ২০ জুন চার্জ গঠনের দিন ধার্য করেছে আদালত।

তিনি আরও জানান, নুসরাত হত্যা মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি আওয়ামী লীগ নেতা রুহুল আমিন, কাউন্সিলর মাকসুদ আলম, প্রভাষক আবসার উদ্দিন, মো. শামিম, ইফতেখার উদ্দিন, নূর উদ্দিন জামিন আবেদন করলে তা নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত।

এর আগে ২৮ মে ফেনীর জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম জাকির হোসাইনের আদালতে ১৬ জনকে আসামি করে ৮০৮ পৃষ্ঠার চার্জশিট দাখিল করেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) কর্মকর্তারা। সেদিন অভিযোগপত্রসহ মামলার কাগজপত্র ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদের আদালতে পাঠিয়ে দেন বিচারক। এরপর ৩০ মে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে আসামিদের হাজির করা হলেও বিচারক সেদিন অভিযোগপত্র গ্রহণের ওপর শুনানি না করে ১০ জুন শুনানির তারিখ ধার্য করেছিলেন।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাতকে যৌন নিপীড়ের দায়ে ওই মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলাকে আটক করে পুলিশ। পরে ৬ এপ্রিল ওই মাদরাসা কেন্দ্রের সাইক্লোন শেল্টারের ছাদে নিয়ে অধ্যক্ষের সহযোগীরা তার শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়। এর পাঁচদিন পর চিকিৎসাধীন নুসরাত মারা যান। এ ঘটনা তার বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান বাদী হয়ে সিরাজ উদ দৌলাসহ ৮ জনের নাম উল্লেখ করে সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় এখন পর্যন্ত ২১ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ও পিবিআই।

প্রিয় সংবাদ/রুহুল