বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। ফাইল ছবি

খালেদা জিয়ার রিট শুনানি নিয়মিত বেঞ্চে পাঠানো হয়েছে

অবকাশকালীন ছুটির পর আগামী ১৬ জুন থেকে হাইকোর্টের নিয়মিত বেঞ্চ বসবে।

আমিনুল ইসলাম মল্লিক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১১ জুন ২০১৯, ১৬:৩২ আপডেট: ১১ জুন ২০১৯, ১৬:৩৭
প্রকাশিত: ১১ জুন ২০১৯, ১৬:৩২ আপডেট: ১১ জুন ২০১৯, ১৬:৩৭


বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। ফাইল ছবি

(প্রিয়.কম) বিএনপির চেয়ারপাসন খালেদা জিয়ার বিচার করতে কেরানীগঞ্জের কারাগারের ভেতর আদালত স্থানান্তরে জারি করা প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট শুনানির জন্য হাইকোর্টের নিয়মিত বেঞ্চে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

১১ জুন, মঙ্গলবার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত অবকাশকালীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়। অবকাশকালীন ছুটির পর আগামী ১৬ জুন থেকে হাইকোর্টের নিয়মিত বেঞ্চ বসবে।

আদালতে খালেদার পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী। দুদকের পক্ষে ছিলেন খুরশিদ আলম খান।

গত ২৬ মে  খালেদা জিয়ার বিচারে কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতর আদালত স্থানান্তর করার বিষয়ে গত ১২ মে’র প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার ও চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। খালেদা জিয়ার অন্যতম আইনজীবী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল রিটটি দায়ের করেন।

গত ২১ মে খালেদা জিয়ার আইনজীবী কায়সার কামাল সংশ্লিষ্ট প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার চেয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের সচিবকে একটি আইনি নোটিশ পাঠান। কিন্তু তার জবাব না পাওয়ায় এ রিটটি দায়ের করা হয় বলে তিনি জানান।

ওই আইনি নোটিশে দাবি করা হয়, গত ১২ মে আইন মন্ত্রণালয় একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। ওই প্রজ্ঞাপন অনুসারে খালেদা জিয়ার মামলা শুনানির জন্য পুরান ঢাকার সাবেক কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আদালত (বিশেষ জজ আদালত-৯) স্থানান্তর করে কেরানীগঞ্জে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই প্রজ্ঞাপন বেআইনি। কারণ, সংবিধানের ৩৫ অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, যেকোনো বিচার হতে হবে উন্মুক্তভাবে। কারাগারের একটি কক্ষে উন্মুক্তভাবে বিচার হতে পারে না। ফলে এই প্রজ্ঞাপন সংবিধানবিরোধী।

কোথায় কোথায় কারাগার স্থানান্তরিত হতে পারে তা ফৌজদারি কার্যবিধি আইনে দেওয়া আছে। ফৌজদারি কার্যবিধি আইনে কোথাও উল্লেখ নেই যে, কারাগারের মধ্যে আদালত স্থাপন হতে পারে। সুতরাং সংবিধান ও ফৌজদারি আইনের বিরুদ্ধে সরকার অবস্থান নিয়েছে বলেও নোটিশে দাবি করা হয়।

প্রিয় সংবাদ/আজাদ চৌধুরী