প্রতীকী ছবি

তারবিহীন রেল যোগাযোগ গড়তে এলটিই-আর সল্যুশন চালু করল হুয়াওয়ে

এই এলটিই-আর সল্যুশন ফাইভজি সমর্থন করে এবং জিএসএম-আরের সঙ্গে সংযুক্ত।

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ১১ জুন ২০১৯, ১৭:২৫ আপডেট: ১১ জুন ২০১৯, ১৭:২৫
প্রকাশিত: ১১ জুন ২০১৯, ১৭:২৫ আপডেট: ১১ জুন ২০১৯, ১৭:২৫


প্রতীকী ছবি

(প্রিয়.কম) তারবিহীন রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়তে যৌথভাবে এলটিই-রেলওয়ে (এলটিই-আর) সল্যুশন চালু করেছে প্রযুক্তি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে ও তাদের অংশীদার তিয়ানজিন ৭১২ কমিউনিকেশন অ্যান্ড ব্রডকাস্টিং কোম্পানি লিমিটেড (টিসিবি ৭১২)।

স্থানীয় সময় ১০ জুন, সোমবার সুইডেনের স্টকহোলমে আয়োজিত ইউআইটিপি গ্লোবাল পাবলিক ট্রান্সপোর্ট সামিট-২০১৯-এ হুয়াওয়ে এই প্রযুক্তি প্রদর্শন করে।

হুয়াওয়ে জানিয়েছে, রেলযাত্রীদের নিরাপত্তা ও দক্ষতা নিশ্চিত করতে উচ্চ গতিসম্পন্ন, বিশ্বস্ত ও বুদ্ধিবৃত্তিক যোগাযোগব্যবস্থা সম্পন্ন এই সল্যুশনটি ইতোমধ্যে চীনে চালু করা হয়েছে।

এই এলটিই-আর সল্যুশন ফাইভজি সমর্থন করে এবং জিএসএম-আরের সঙ্গে সংযুক্ত।

এই সল্যুশনের অ্যাডভান্সড ফিচারগুলোর মধ্যে রয়েছে মাল্টিপল ট্রাকিং সার্ভিস; যেমন: মিশন ক্রিটিক্যাল পুশ টু টক ভয়েস, ভিডিও, ডাটা এবং এলটিই-আর সল্যুশনের মাধ্যমে ট্রেন নিয়ন্ত্রণ, ট্রেন ছেড়ে যাওয়া, যাত্রীর তথ্য সংরক্ষণ, সিসিটিভি এবং রেলের অন্যান্য সেবা।

প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ফাইভজির সহায়তায় এই সল্যুশন ভবিষ্যতে এমন একটি রেলসেবা গড়ে তুলবে, যেখানে সবকিছুই সংযুক্তি থাকবে।

এই সেবা চালুর বিষয়ে হুয়াওয়ে এন্টারপ্রাইজ বিজনেস গ্রুপের গ্লোবাল ট্রান্সপোর্টেশন বিজনেস ইউনিটের প্রেসিডেন্ট ইমান লিউ বলেন, ‘রেল খাতে যোগাযোগের ক্ষেত্রে হুয়াওয়ের ২০ বছরের অভিজ্ঞতা আছে, এক লাখ ২০ হাজার কিলোমিটারের বেশি রেলসেবা দিচ্ছে এবং বিশ্বে ১০০টিরও বেশি আরবান ট্রাক আছে। এলটিই-আর সল্যুশনের মাধ্যমে ট্রেন থেকে স্টেশনের এবং ট্রেন থেকে ট্রেনে তারবিহীন ভায়েস ও তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমে যোগাযোগ সম্ভব হবে।’

টিসিবি ৭১২-এর মোবাইল কমিউনিকেশন বিজনেস ইউনিটের আর অ্যান্ড ডি বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার ঝেং চিসুন বলেন, ‘পরবর্তী প্রজন্মের তারবিহীন রেল যোগাযোগ গড়ে তুলতে ২০১০ সালের পর থেকে টিসিবি ৭১২ হুয়াওয়ের সহায়তায় জিএসএম-আর এবং এলটিই-আর সল্যুশন গড়ে তুলেছে। এই সল্যুশনগুলো গড়তে দুটি কোম্পানিকে অনেক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হয়েছে। এই সল্যুশনগুলো দক্ষিণ আফ্রিকায় পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়, যেখানে যাত্রীরা একটি নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য রেলসেবার অভিজ্ঞতা নিতে পেরেছেন।’

প্রিয় প্রযুক্তি/আজাদ চৌধুরী

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


loading ...