অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বৃহস্পতিবার ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট এ প্রস্তাব পেশ করেছেন।

কালো টাকা সাদা করতে নতুন সুবিধা

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমি আশা করি এ হ্রাসকৃত কর হারের সুযাগ নিয়ে করদাতারা ফ্ল্যাট ও এ্যাপার্টমেন্ট ক্রয় এবং দালান নির্মাণে তাদের অপ্রদর্শিত বিনিয়াগ অতিদ্রুত আয়কর নথিতে প্রদর্শন করবেন এবং স্বপ্রণোদিতভাবে করের আওতায় অন্তর্ভুক্ত হবেন।’

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ১৩ জুন ২০১৯, ২১:০৮ আপডেট: ১৩ জুন ২০১৯, ২১:০৮
প্রকাশিত: ১৩ জুন ২০১৯, ২১:০৮ আপডেট: ১৩ জুন ২০১৯, ২১:০৮


অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বৃহস্পতিবার ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট এ প্রস্তাব পেশ করেছেন।

(প্রিয়.কম) অপ্রদর্শিত আয় বা কালো টাকা সাদা করতে প্রস্তাবিত বাজেটে বিশেষ সুবিধার প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী বিনিয়াগ বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য অর্থনৈতিক অঞ্চল ও হাইটেক পার্কে শিল্প স্থাপনে অপ্রদর্শিত আয় থেকে বিনিয়াগকৃত অর্থের ওপর ১০ শতাংশ হারে কর দিলে বিনিয়াগকৃত অর্থের উৎস সম্পর্কে আয়কর বিভাগ থেকে কোনো প্রশ্ন তোলা হবে না বলে জানানো হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল আজ বৃহস্পতিবার ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট এ প্রস্তাব পেশ করেছেন।

বিদ্যমান আইনে নির্দিষ্ট হারে কর প্রদান করা হলে ফ্ল্যাট ও এ্যাপার্টমেন্ট ক্রয় এবং দালান নির্মাণে বিনিয়াগকৃত অর্থের উৎস সম্পর্কে আয়কর বিভাগ থেকে কোনো প্রশ্ন তোলা হয় না। তবে এই হারটি বেশি হওয়ায় করদাতারা খুব একটা সাড়া দিচ্ছেন না বলে মনে করছে সরকার। ফলে ফ্ল্যাট ও এ্যাপার্টমেন্ট ক্রয় এবং দালান নির্মাণে বিনিয়াগ স্বপ্রণোদিতভাবে আয়কর নথিতে প্রদর্শনে করদাতাদের আরও আগ্রহী করার জন্য কর হার হ্রাস করার এ প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমি আশা করি এ হ্রাসকৃত কর হারের সুযাগ নিয়ে করদাতারা ফ্ল্যাট ও এ্যাপার্টমেন্ট ক্রয় এবং দালান নির্মাণে তাদের অপ্রদর্শিত বিনিয়াগ অতিদ্রুত আয়কর নথিতে প্রদর্শন করবেন এবং স্বপ্রণোদিতভাবে করের আওতায় অন্তর্ভুক্ত হবেন।’

এ ছাড়া প্রস্তাবিত বাজেটে অর্থনৈতিক অঞ্চল ও হাইটেক পার্কে পণ্য বা সেবা উৎপাদনজনিত উদ্ভূত আয়কে ১০ বছরের জন্য বিভিন্ন হারে কর অব্যাহতি সুবিধা দেয়ার কথা বলা হয়েছে।

প্রিয় সংবাদ/কামরুল