সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন ডিএমপি কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর ৬২ লাখ মানুষের তথ্য পুলিশের কাছে

অপরাধ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে ঢাকায় বসবাসরত নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহের বিষয়টি আরও জোরদার করতে ১৫ জুন থেকে ২১ জুন পর্যন্ত নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহ সপ্তাহ পালন করছে ডিএমপি।

আমিনুল ইসলাম মল্লিক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৫ জুন ২০১৯, ১৬:২০ আপডেট: ১৫ জুন ২০১৯, ১৬:২০
প্রকাশিত: ১৫ জুন ২০১৯, ১৬:২০ আপডেট: ১৫ জুন ২০১৯, ১৬:২০


সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন ডিএমপি কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) রাজধানী ঢাকায় বসবাসরত ৬২ লাখ ৩৪ হাজার ৫৪৭ জন নাগরিকের তথ্য সংগ্রহ করে সিটিজেন ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে (সিআইএমএস) সংরক্ষণ করেছে পুলিশ

১৫ জুন, শনিবার সকালে নিজেদের মিডিয়া সেন্টারে নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহ সপ্তাহ উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এমন তথ্য জানায় ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।

এদের মধ্যে দুই লাখ ৪১ হাজার ৫০৭ জন বাড়িওয়ালা। ১৮ লাখ ২০ হাজার ৯৪ জন ভাড়াটিয়া। পরিবারের সদস্য ৩১ লাখ ৬৬ হাজার ৮২১ জন। মেস সদস্য এক লাখ ২১ হাজার ৪০ জন। চালক ও গৃহকর্মী ৮ লাখ ৮৩ হাজার ৯৮৪ জন।

অপরাধ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে ঢাকায় বসবাসরত নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহের বিষয়টি আরও জোরদার করতে ১৫ জুন থেকে ২১ জুন পর্যন্ত নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহ সপ্তাহ পালন করছে ডিএমপি।

এরমধ্যে ঢাকায় ৫০টি থানাকে ৩০২টি বিটে ভাগ করে নাগরিকদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে পুলিশ তথ্য সংগ্রহ করবে। এরপর ২১ জুন থেকে ডিএমপি সদর দফতর থেকে আটটি টিম আট বিভাগে ভাগ হয়ে দৈবচয়ন পদ্ধতিতে ক্রস চেক করবে। কোথাও কোনো ত্রুটি পেলে তারা সংশ্লিষ্ট বিট পুলিশকে জবাবদিহিতার আওতায় নিয়ে আসবে।

সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার কৃষ্ণপদ রায় সিআইএমএস সফওয়্যারের কিছু সফলতার চিত্র তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘হোলি আর্টিজান বেকারিতে হামলার পর আমরা নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহ শুরু করি। যারা পরিচয় গোপন করে ঢাকায় বাড়ি ভাড়া নিতে চান তারা এখন ভাড়া নিতে পারছেন না। এ ছাড়া এ সফটওয়্যারের মাধ্যমে ভিকটিম, অপরাধী শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। কারণ সংরক্ষিত তথ্যে একজন ব্যক্তির জন্য আলাদা ইনডেক্স রয়েছে। ফলে একজন ব্যক্তি এলাকা পরিবর্তন করলেও আমরা তার সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে পারি।’

ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, ‘উন্নত বিশ্বের আদলে ডিএমপি প্রথমে নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু করে। এখন অন্যান্য জায়গায়ও তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়েছে। কঠোর গোপনীয়তা ও নিরাপত্তার মাধ্যমে নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। গত তিন বছরে কোনো নাগরিকের তথ্য ফাঁস হওয়ার ঘটনা ঘটেনি।’

অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘রাজধানীতে আমরা হাজার হাজার সিসিটিভি ক্যামেরা লাগিয়েছি। এর মাধ্যমে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন অপরাধের রহস্য উদঘাটন করা হয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজের সাহায্যেই আমরা মালিবাগে পুলিশের গাড়িতে ককটেল হামলার ঘটনার রহস্য উদঘাটনের কাছাকাছি চলে এসেছি।’

প্রিয় সংবাদ/রুহুল

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...