পাসওয়ার্ড ছবির পোস্টারে শাকিব খান। ছবি: সংগৃহীত

শাকিবের ‘পাসওয়ার্ড’র বিরুদ্ধে সেন্সর বোর্ডে নকলের অভিযোগ

চিঠিতে ৮টি বিষয় উল্লেখ করে চলচ্চিত্র কর্মী ও সমালোচক আনন্দ কুটুম ছবিটির নির্মাতা ও প্রযোজকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সেন্সর বোর্ডে আবেদন করেছেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিয়.কম
প্রকাশিত: ১৮ জুন ২০১৯, ১১:২৯ আপডেট: ১৮ জুন ২০১৯, ১১:২৯
প্রকাশিত: ১৮ জুন ২০১৯, ১১:২৯ আপডেট: ১৮ জুন ২০১৯, ১১:২৯


পাসওয়ার্ড ছবির পোস্টারে শাকিব খান। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) গত ঈদে মুক্তি পেয়েছে শাকিব খান ও শবনম বুবলি অভিনীত ‘পাসওয়ার্ড’ ছবিটি। জেষ্ঠ্য নির্মাতা মালেক আফসারী নির্মিত ছবিটি বিরুদ্ধে নকলের অভিযোগ উঠেছে। কেউ কেউ বলছেন, কোরিয়ান সিনেমা ‘দ্য টার্গেট’ থেকে ছবির কিছু অংশ কপি করে নির্মিত হয়েছে ‘পাসওয়ার্ড’। সম্প্রতি এ বিষয়ে গণমাধ্যমে খবরও প্রকাশিত হয়েছে।

নতুন খবর হলো, ছবিটির পরিচালক ও প্রযোজকের বিরুদ্ধে এবার সেন্সর বোর্ডের নীতিমালা অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য লিখিত আবেদন করেছেন চলচ্চিত্র কর্মী ও সমালোচক আনন্দ কুটুম।

১৭ জুন, সোমবার ‘দ্যা টার্গেট’ ছবিটির একটি কপি ও একটি চিঠি তিনি দিয়েছেন সেন্সর বোর্ডে। সেখানে ৮টি বিষয় উল্লেখ করে তিনি ছবিটির নির্মাতা ও প্রযোজকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আবেদন করেছেন।

চিঠিতে আনন্দ কুটুম লিখেছেন, ‘পাসওয়ার্ড’ ছবির কোথাও উল্লেখ নেই যে এটি ‘দ্য টার্গেট’ ছবির কপিরাইট নিয়ে নির্মিত হয়েছে। ছবির কোথাও উল্লেখ নেই যে এটি বিদেশি সিনেমার ছায়া অবলম্বনে নির্মিত। পুনঃসেন্সরের মাধ্যমে পরিস্কার হওয়া যাবে যে ‘পাসওয়ার্ড’ ছবিটি নকল। লোকেশন ভিন্ন হলেও দুটো সিনেমার দৃশ্যধারণ করা হয়েছে একইভাবে। গল্প, দৃশ্য, শট, অ্যাকশন, নকলের পাশাপাশি প্রপসের ক্ষেত্রেও নকল করার প্রবনতা ছিল।

যখন একজন পরিচালক বিদেশি সিনেমা নকল করেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে বলে যে এটা নকল নয়-গবেষণা, তখন পরবর্তী প্রজন্মের নির্মাতারা আশাহত হন। অন্যের গল্প এবং দৃশ্যধারণ নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া কি নিয়ম বহির্ভূত নয়?

কোরিয়ান সিনেমা দ্য টার্গেটের দৈর্ঘ্য এক ঘণ্টা ৩৭ মিনিট, পাসওয়ার্ড ছবির দৈর্ঘ্য দুই ঘণ্টা ১৭ মিনিট। এ কারণে পাসওয়ার্ড ছবিটি নকল নয়-এমনটা দাবি করেন পরিচালক মালেক আফসারী। উল্লেখ্য- গান ও কয়েকটি দৃশ্য বাদে পাসওয়ার্ড ছবিটি পুরোটাই নকল।

চিঠিটি সেন্সর বোর্ড গ্রহণ করেছে। এ বিষয়ে আনন্দ কুটুম ফেসবুকে লিখেছেন, মালেক আফসারীর মতো পরিচালকদের এই বার্তা টুকুই আমরা পৌঁছে দিতে চাই যে, দেশ এতোটা অথর্ব হয়ে পরেনি যে এখানে যা ইচ্ছা তাই বলে দেওয়া যায়। যা ইচ্ছা তাই চুরি করে হজম করে ফেলা যায়।

এ প্রসঙ্গে সেন্সর বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান নিজামুল কবীর সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘আমাদের পরবর্তী সভায় বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত হলে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব। অনেক ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে। তবে প্রচলিত নিয়ম হলো যেসব জায়গায় বা দৃশ্যে সমস্যা বা নকলের অভিযোগ রয়েছে সেসব দৃশ্য কেটে ফের সেন্সর বোর্ডে জমা দেওয়া।’

প্রিয় বিনোদন/মিঠু/আশরাফ

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...