মাকসুদা আক্তার প্রিয়তি৷ ছবি: সংগৃহীত

প্রিয়তিকে ‘ধর্ষণ চেষ্টার’ অভিযোগ, ‘তদন্ত করছে’ ইন্টারপোল

পুরো বিষয়টি এখন ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল পুলিশ অর্গানাইজেশন (ইন্টারপোল) তদন্ত করছে বলে জানান প্রিয়তি।

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ১৯ জুন ২০১৯, ০৯:১১ আপডেট: ১৯ জুন ২০১৯, ০৯:১২
প্রকাশিত: ১৯ জুন ২০১৯, ০৯:১১ আপডেট: ১৯ জুন ২০১৯, ০৯:১২


মাকসুদা আক্তার প্রিয়তি৷ ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) আয়ারল্যান্ডে বসবাসরত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মডেল, অভিনেত্রী ও পাইলট মাকসুদা আখতার প্রিয়তি। গত বছরের ২৯ অক্টোবর ফেসবুকে অভিযোগ করেন, বাংলাদেশের রংধনু শিল্প গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ২০১৫ সালে তাকে ‘ধর্ষণের চেষ্টা’ করেছিলেন। বিষয়টি নিয়ে তখন তুমুল বিতর্ক সৃষ্টি হয়।

নতুন খবর হলো, পুরো বিষয়টি এখন ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল পুলিশ অর্গানাইজেশন (ইন্টারপোল) তদন্ত করছে বলে দাবি করেছেন প্রিয়তি। তবে প্রিয়.কমের পক্ষ থেকে ইন্টারপোলের এই তদন্ত সম্পর্কিত তথ্যের সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। 

মাকসুদা আখতার প্রিয়তি সে সময় এ ঘটনা নিয়ে আইরিশ পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। তখনই তিনি জানিয়েছিলেন, তার এই অভিযোগ তদন্তে ইন্টারপোল বাংলাদেশে আসবে।

এদিকে টন্টনে বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের খেলা শেষে জার্মানির সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলের বাংলা বিভাগের এক সংবাদিকের সঙ্গে আলাপকালেও তিনি জানিয়েছেন, যৌন হয়রানির বিষয়ে আয়ারল্যান্ডের পুলিশের কাছে তিনি অভিযোগ করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করছে ইন্টারপোল৷ কিন্তু বাংলাদেশের মূলধারার সংবাদমাধ্যম তার অভিযোগের বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ থেকে দূরে থেকেছে বলে দাবি করেন তিনি।

গতবছর ফেসবুক লাইভে যখন ওই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে এ গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন সাবেক এ মিস আয়ারল্যান্ড, তখন গোটা বিশ্বেই ইংরেজিতে হ্যাশট্যাগ ‘মিটু’ ব্যবহার করে অনেক নারী যৌন হয়রানির শিকার হওয়ার অভিজ্ঞতা জানাচ্ছিলেন৷

সে সময় বাংলাদেশের অল্প কয়েকজন নারী অবশ্য এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কথা বলেছেন৷ প্রিয়তি তাদের একজন৷ প্রিয়তি গত বছরের ৩০ অক্টোবর ফেসবুক লাইভে এসে একটি ভিডিও বিবৃতি দেন, যাতে তিনি বিস্তারিত বর্ণনা দেন কিভাবে রফিকুল ইসলাম ২০১৫ সালের মে মাসে ঢাকায় নিজের অফিস কক্ষে প্রিয়তির সঙ্গে ‘অশালীনভাবে তার দেহের বিভিন্ন অংশ স্পর্শ করেন এবং পরে ধর্ষণের চেষ্টা করেন।’

প্রিয় বিনোদন/রুহুল