আসাদ মোড়লের সঙ্গে দুই বছর আগে ফেসবুকে পরিচয় হয় জার্মান নারী ক্রিস্টিয়ালের। ছবি: সংগৃহীত

এবার স্বামী-সংসার ফেলে খুলনায় জার্মান নারী

‘ছেলে যাকে নিয়ে সুখী হবে তাতে আমাদের কোনো আপত্তি নাই। তবে কখন ভাবিনি সে কোনো বিদেশিনীকে বিয়ে করবে।’

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ১৯ জুন ২০১৯, ১০:১৪ আপডেট: ১৯ জুন ২০১৯, ১০:১৪
প্রকাশিত: ১৯ জুন ২০১৯, ১০:১৪ আপডেট: ১৯ জুন ২০১৯, ১০:১৪


আসাদ মোড়লের সঙ্গে দুই বছর আগে ফেসবুকে পরিচয় হয় জার্মান নারী ক্রিস্টিয়ালের। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) প্রেমের টানে এক দেশ থেকে অন্যদেশ, এক ধর্ম থেকে ভিন্ন ধর্ম গ্রহণ প্রায়ই ঘটে। এই তো দিন ১৫ আগে চীন থেকে এক মেয়ে প্রেমের টানে ছুটে এসেছেন নেত্রকোনা জেলার কলমাকান্দায়। আর গত ১০ জুন জার্মান থেকে খুলনার ছেলে আসাদ মোড়লের প্রেমের টানে স্বামী-সংসার ফেলে অ্যাসটিট ক্রিস্টিয়াল কাসুমী সিউর নামে এক নারী বাংলাদেশে এসেছেন। তবে তিনি বিবাহিত ছিলেন। বাংলাদেশে আসার আগে তার জার্মান স্বামীকে ডিভোর্স দিয়েছেন।

জানা গেছে, খুলনা মহানগরীর খানজাহান আলী থানার যোগিপোল ৭নং ওয়ার্ডের ইব্রাহিম মোড়লের ছেলে আসাদ মোড়লের সঙ্গে দুই বছর আগে ফেসবুকে পরিচয় হয় জার্মানির ক্রিস্টিয়ালের। পেশায় তিনি একজন সার্ভেয়ার। বন্ধুত্ব থেকে একপর্যায়ে দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ক্রিস্টিয়াল এই সম্পর্ককে বাস্তবে রূপ দিতে জার্মানির স্বামীকে ডিভোর্স দিয়ে গত ১০ জুন ঢাকায় আসেন। ১১ জুন তিনি আসাদের খোঁজে খুলনায় আসেন এবং একটি হোটেলে ওঠেন। ওই হোটেলেই দুজনের প্রথমবারের মতো সরাসরি দেখা হয়। ১২ জুন ক্রিস্টিয়াল খুলনা নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে খ্রিস্টান ধর্ম ত্যাগ করেন এবং ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। ১৩ জুন কোর্টের মাধ্যমে দুজনের বিয়ে হয়।

এ বিষয়ে আসাদের বাবা ইব্রাহিম মোড়ল বলেন, ‘ছেলে যাকে নিয়ে সুখী হবে তাতে আমাদের কোনো আপত্তি নাই। তবে কখন ভাবিনি সে কোনো বিদেশিনীকে বিয়ে করবে।’

স্ত্রী ক্রিস্টিয়াল বলেন, আসাদের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক বাস্তবে রূপ দিতেই আমি বাংলাদেশে আসি। সরাসরি তাকে দেখে বুঝে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করি এবং বিয়ে করেছি। এখন আমরা সুখী।

আসাদ বলেন, তার জীবনসঙ্গী হতে পেরে আমিও খুবই খুশি। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে আসাদ জানান, ক্রিস্টিয়াল এ মাসেই জার্মানি ফিরে যাবেন। তিনি আসাদকেও জার্মানি নেওয়ার চেষ্টা করবেন।

প্রিয় সংবাদ/রুহুল

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


loading ...