বিদ্যুৎ পেয়ে গ্রামবাসীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

পুলিশ কর্মকর্তার চেষ্টায় বিদ্যুৎ পেল গ্রামের ২০০ পরিবার

পুলিশ কর্মকর্তার প্রচেষ্টায় গ্রামের ২০০ পরিবার বিদ্যুৎ সংযোগ পেয়েছে। এর ফলে গ্রামটি অন্ধকার থেকে আলোতে রূপান্তরিত হয়েছে।

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ১৯ জুন ২০১৯, ১৯:১৫ আপডেট: ১৯ জুন ২০১৯, ১৯:৪৬
প্রকাশিত: ১৯ জুন ২০১৯, ১৯:১৫ আপডেট: ১৯ জুন ২০১৯, ১৯:৪৬


বিদ্যুৎ পেয়ে গ্রামবাসীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

(প্রিয়.কম) একজন পুলিশ কর্মকর্তার আন্তরিক চেষ্টায় কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীর কুটিপায়ডাঙ্গা গ্রামের ২০০ পরিবার বিদ্যুৎ সংযোগ পেয়েছে। এর ফলে গ্রামটি অন্ধকার থেকে আলোতে রূপান্তরিত হয়েছে।

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে নাগেশ্বরীর কুটিপায়ড়াডাঙ্গা গ্রাম বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থেকে পিছিয়ে ছিল। তবে ধাপে ধাপে এ গ্রামের উন্নয়ন হচ্ছিল। কিন্তু গত ১০ বছর ধরে বিদ্যুতের জন্য গ্রামবাসী বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করেও সফল হয়নি। গ্রামটিতে বিদ্যুৎ আসি আসি করে আর আসে না। এ রকম পরিস্থিতিতে একই গ্রামের মো. তছলমি উদ্দিন এবং তার ভাতিজা ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. জাহাঙ্গীর আলম বিষয়টি অনুধাবন করে বিদ্যুতের জন্য উদ্যোগী হন। পরে জাহাঙ্গীর আলম মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসন ও পল্লী বিদ্যুতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রাখেন। ডিএমপির এই কর্মকর্তার আন্তরিক প্রচেষ্টার ফলে গ্রামের ২০০টি পরিবার বিদ্যুৎ সংযোগ পায়। এতে নাগেশ্বরীর কুটিপায়ড়াডাঙ্গা গ্রামটি অন্ধকার থেকে আলোতে রূপান্তরিত হয়।

বিদ্যুৎ পেয়ে গ্রামবাসীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। তারা জানান, সরকার আমাদের বিদ্যুৎ দিয়েছে, আমরা আলোকিত হয়েছি, ভবিষ্যতেও আমরা সরকারের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে গ্রামবাসী সকলেই সহযোগিতা করবো।

গ্রামের বাসিন্দা মো. রানু বলেন, ‘এ গ্রামে দীর্ঘদিন থেকে বিদ্যুৎ আসি আসি করেও আসে নাই, গ্রামের কৃতি সন্তান পুলিশ কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলমের প্রচেষ্টায় বিদ্যুতের আলো দেখতে পেলাম।’

এ বিষয়ে ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘গ্রামটিতে বিদ্যুৎ আসায় শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ মানুষের জীবনযাত্রার মান আরও একধাপ এগিয়ে গেল। বিদ্যুতের আলোতে গ্রামের ছাত্র-ছাত্রী যারা আছেন তাদের লেখাপড়ায় অনুপ্রেরণা যোগাবে এবং মানুষের নানাবিধ কর্মক্ষেত্রের সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি হবে। যা দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে সহায়ক ভুমিকা পালন করবে।’

মো. জাহাঙ্গীর আলম সরকারি দায়িত্ব পালনের পাশপাশি একজন সমাজকর্মীও। তিনি সমাজসেবী সংগঠন ত্রি মাত্রিক-৩০ বিসিএস অফিসার্স কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। সংগঠনটি প্রতিবছর ফ্রি হেলথ ক্যাম্প, শীতবস্ত্র বিতরণ, দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণসহ নানামুখী জনকল্যানমূলক কর্মকান্ড পরিচালনাসহ সংগঠনের প্রত্যেক সদস্য নিজ নিজ গ্রামের উন্নয়নে অবদান রাখতে কাজ করছে।

প্রিয় সংবাদ/কামরুল

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...