প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফাইল ছবি

রোহিঙ্গাদের কারণে বনাঞ্চলের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

ছেলে-মেয়েদেরও বৃক্ষরোপণ শেখাতে হবে। তবে শুধু গাছ লাগালেই হবে না, পরিচর্যাও করতে হবে।

মোক্তাদির হোসেন প্রান্তিক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২০ জুন ২০১৯, ১৩:২৩ আপডেট: ২০ জুন ২০১৯, ১৩:২৩
প্রকাশিত: ২০ জুন ২০১৯, ১৩:২৩ আপডেট: ২০ জুন ২০১৯, ১৩:২৩


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফাইল ছবি

(প্রিয়.কম) মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের মানবিক কারণে আশ্রয় দেওয়া হলেও তাদের কারণে বনাঞ্চলের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

২০ জুন, বৃহস্পতিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও বৃক্ষমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মানবিক কারণে মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়া হলেও ধ্বংস হয়ে গেছে আমাদের পাহাড়ি বনাঞ্চল। তাছাড়া আমরা নিজেরা আর ক’দিন থাকব। কিন্তু আমাদের বংশধররা যেন সুন্দরভাবে বাঁচতে পারে, টিকে থাকতে পারে, সেজন্য শতবর্ষব্যাপী ডেল্টা প্ল্যান নিয়ে কাজ করছি।’

সবাইকে গাছ লাগানোর আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রত্যেকেই নিজের কর্মস্থল ও বাসস্থানে গাছ লাগাবেন। বনজ, ফলজ, ভেষজ গাছ লাগাবেন। ছেলে-মেয়েদেরও বৃক্ষরোপণ শেখাতে হবে। তবে শুধু গাছ লাগালেই হবে না, পরিচর্যাও করতে হবে। প্রত্যেকে নিজের এলাকায় যতো ইচ্ছে গাছ লাগাবেন। এতে কয়েক বছর পর টাকাও পাওয়া যায়, বছর বছর ফল পেলেও খুশি লাগে।’

এসময় আজিমপুর গার্লস স্কুলে পড়ার সময় বান্ধবীদের সঙ্গে নিয়ে গাছ লাগানোর স্মৃতিচারণও করেন শেখ হাসিনা।

সুন্দরবন রক্ষণাবেক্ষণে সরকারের কর্মসূচির কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সুন্দরবন পৃথিবীর সবচেয়ে বৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন। এই বন রক্ষণাবেক্ষণে ব্যাপক কর্মসূচি নিয়েছি। সুন্দরবনের পরিবেশ রক্ষায় রয়েল বেঙ্গল টাইগারের বড় ভূমিকা রয়েছে। কারণ বনে বেশি বাঘ থাকলে অনেকে ভেতরে গিয়ে বনের ক্ষতিকর কিছু করার সাহস পায় না। একই সঙ্গে সুন্দরবনকে রক্ষায় নদীর লবণাক্ততা দূর করতে হবে। লবণাক্ততা দূর হলে হোগলা বন বেড়ে যায়। আর হোগলা বনে বাঘের বিচরণ বেড়ে যায়। নদীর নাব্যতা বাড়ানোরও কাজ করা হচ্ছে।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘যারা বনের ভেতর মৎস্য আরোহণের জন্য যায় অনেক সময় তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ইতোমধ্যেই তাদের বিকল্প কাজের ব্যবস্থাও করে দিয়েছি। বনদস্যু যারা ছিল তারা ইতোমধ্যে আমাদের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। প্রত্যেককে আমরা নগদ টাকা দিয়ে জীবন-জীবিকার জন্য নতুন পথ করে দিয়েছি। ’

প্রিয় সংবাদ/আশরাফ