বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। ফাইল ছবি

খালেদার আবেদন তালিকা থেকে বাদ

সেটাকে আমরা চ্যালেঞ্জ করেছি। এরপর আদালত রিট আবেদনটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দেন।

আমিনুল ইসলাম মল্লিক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৩ জুন ২০১৯, ১৯:৪২ আপডেট: ২৩ জুন ২০১৯, ১৯:৪২
প্রকাশিত: ২৩ জুন ২০১৯, ১৯:৪২ আপডেট: ২৩ জুন ২০১৯, ১৯:৪২


বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। ফাইল ছবি

(প্রিয়.কম) কেরানীগঞ্জের কারাগারের ভেতর আদালত বিষয়ে সরকারের জারি করা প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার চেয়ে করা বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রিট আবেদন কার্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

২৩ জুন, রবিবার এ বিষয়ে এক আবেদনের শুনানি করে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, ব্যারিস্টার একেএম এহসানুর রহমান। অপরদিকে দুদকের পক্ষে ছিলেন খুরশিদ আলম খান। শুনানিতে খুরশিদ আলম খান বলেন, ‘মামলাটি দুর্নীতি সংক্রান্ত। এ জন্য আলাদা বেঞ্চ রয়েছে।’ জবাবে এ জে মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘মামলার বাদী দুদক হলেও এটি দুর্নীতি সংক্রান্ত বিষয় নয়। আইন মন্ত্রণালয় বেআইনিভাবে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। সেটাকে আমরা চ্যালেঞ্জ করেছি।’ এরপর আদালত রিট আবেদনটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দেন।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সাংবাদিকদের বলেন, ‘রিট আবেদনটি পরর্বর্তীতে অন্য কোনো বেঞ্চে শুনানির জন্য উপস্থাপন করা হবে।’

গত ২৬ মে আদালতের অনুমতি নিয়ে খালেদা জিয়া হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট আবেদন করেন। পরের দিন ২৭ মে রিটের শুনানি করতে গেলে মামলায় হাইকোর্টের আদেশের পর দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) পক্ষভুক্ত করা হয়। ২৮ মে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে মামলাটি শুনানি শুরু করে ১০ জুন পর্যন্ত মুলতবি করা হয়। সে অনুযায়ী ওই দিন শুনানি না হয়ে পরের দিন (১১জুন) শুনানির জন্য দিন ঠিক করেন আদালত। ওই দিন রিটটি অবকাশের পর নিয়মিত বেঞ্চে শুনানি করতে যাওয়ার পরামর্শ দেন। সে অনুযায়ী বুধবার (২৩ জুন) এ রিটের শুনানি হয়।

খালেদা জিয়া তার আবেদনে বলেন, গত ১২ মে জারি করা গেজেট সংবিধানের ২৭ ও ৩১ অনুচ্ছেদ-বহির্ভূত পদক্ষেপ। পাশাপাশি প্রচলিত ফৌজদারি কার্যবিধির (সিআরপিসি) ধারা ৯ এর (১) ও (২) উপ-ধারা বিরোধী।

নাইকো মামলায় বিচারে পুরান ঢাকার পরিত্যক্ত কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বিশেষ জজ আদালত-৯ কেরানীগঞ্জে কেন্দ্রীয় কারাগারের ২ নম্বর ভবনে স্থানান্তরে গত ১২ মে জারি করা গেজেট কেন অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না মর্মে রুল চাওয়া হয়েছে রিটে। রুলের নিষ্পত্তির আগ পর্যন্ত জারি করা ওই গেজেটের কার্যকারিতা স্থগিত চাওয়া হয়েছে। রিটে স্বরাষ্ট্রসচিব ও আইন মন্ত্রণালয়ের দুই সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী কায়সার কামাল।

প্রিয় সংবাদ/কামরুল

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...