ঝুঁকিপূর্ণ রেলপথ। ছবি সংগৃহীত

এবার রেললাইনে দেওয়া হয়েছে বাঁশ!

অল্প বয়সী দুটি ছেলে রেললাইনের বেহাল দশা দেখাচ্ছে। এরইমধ্যে ট্রেন চলে আসলে তারা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। তাদের ‘আল্লাহ আল্লাহ’ বলতে শোনা যায়।

মোক্তাদির হোসেন প্রান্তিক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৫ জুন ২০১৯, ১৮:৩৪ আপডেট: ২৫ জুন ২০১৯, ১৮:৩৪
প্রকাশিত: ২৫ জুন ২০১৯, ১৮:৩৪ আপডেট: ২৫ জুন ২০১৯, ১৮:৩৪


ঝুঁকিপূর্ণ রেলপথ। ছবি সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) রেললাইনের স্লিপার যাতে খুলে না যায় সেজন্য বাঁশ দিয়ে পেরেক মেরে আটকানো হয়েছে। ঢাকা-সিলেট রেলপথের হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জ রেলস্টেশন থেকে প্রায় এক কিলোমিটার পশ্চিমে একটি ঝুঁকিপূর্ণ রেলসেতু রয়েছে। এই সেতুর ওপরে স্লিপারগুলোকে আটকে রাখতে একাধিক বাঁশ দিয়ে পেরেক মারা হয়েছে। কিন্তু এই বাঁশ কাঠামোগতভাবে কতটা শক্ত? প্রশ্ন উঠেছে।

ভিডিওতে দেখা যায়, অল্প বয়সী দুটি ছেলে রেললাইনের বেহাল দশা দেখাচ্ছে। এরইমধ্যে ট্রেন চলে আসলে তারা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। তাদের ‘আল্লাহ আল্লাহ’ বলতে শোনা যায়। ভিডিওতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল, ট্রেন যাওয়ার সময় লাইনের দুই পাতের সংযোগস্থলটি ভয়ঙ্ককরভাবে ওঠা-নামা করছিল। ট্রেন চলে যাওয়ার পর দেখা গেলো সংযোগ স্থাপনকারী নাটগুলো ঢিলে হয়ে গেছে। একটি নাট  আগে থেকেই ছিল না।

সোশ্যাল মিডিয়ায় এ নিয়ে তুমুল ঝড় বইছে। ছবিতে উল্লেখিত সেতুটির অবস্থান শায়েস্তাগঞ্জ, বড়চর ও কদমতলীর দুই সিএনজি ফিলিং স্টেশনের মধ্যবর্তী স্থানে।

জানা গেছে, সেতুটিতে সর্বমোট ৪০টি স্লিপার রয়েছে। তার মধ্যে ১৫টি স্লিপার পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে। যেকোনো সময় নষ্ট স্লিপারগুলো ভেঙে আকস্মিক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। ৪০টি স্লিপারের উভয় পাশে রেল ট্র্যাকের সঙ্গে ৪০টি করে মোট ৮০টি নাট সংযুক্ত থাকার কথা। কিন্তু সেখানে নাট রয়েছে মাত্র ৩৫টি। অর্থাৎ ৪৫টি স্লিপারে কোনো ধরনের নাট নেই। যার কারণে ট্রেন যখন আসা যাওয়া করে তখন প্রায় সময়ই ওই স্লিপারগুলো একে অপরের সঙ্গে জমে বিশাল ফাঁকা স্থানের সৃষ্টি করে। রেল শ্রমিকরা ওই জায়গায় বাঁশ বা কাঠ দ্বারা স্লিপারগুলোকে অস্থায়ীভাবে আটকিয়ে রেখেছেন। যা ছবিতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে।

স্বাভাবিকভাবেই সেতুটি ট্রেনের জন্য অত্যাধিক ঝুঁকিপূর্ণ। আকস্মিক দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য সেতুটি অতি শিগগির মেরামত দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা।

প্রিয় সংবাদ/কামরুল