দুদক পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যা বুধবার এ বিষয়ে পুলিশের বিশেষ শাখার অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শককে চিঠি দিয়েছেন। ছবি: সংগৃহীত

দুদক পরিচালক বাছিরের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

দুদকের চিঠিতে বলা হয়, ‘সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির (বাছির) ঘুষ লেনদেন ও মানিলন্ডারিং সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগের সত্যতা দুদকের অনুসন্ধানে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে।’

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ২৬ জুন ২০১৯, ২০:৫৯ আপডেট: ২৬ জুন ২০১৯, ২০:৫৯
প্রকাশিত: ২৬ জুন ২০১৯, ২০:৫৯ আপডেট: ২৬ জুন ২০১৯, ২০:৫৯


দুদক পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যা বুধবার এ বিষয়ে পুলিশের বিশেষ শাখার অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শককে চিঠি দিয়েছেন। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) ডিআইজি মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত করতে গিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) বরখাস্ত পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

২৬ জুন, বুধবার ঘুষ লেনদেনের অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা দুদক পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যা এ বিষয়ে পুলিশের বিশেষ শাখার অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শককে চিঠি দিয়েছেন।

এর আগে মঙ্গলবার দুপুরে ডিআইজি মিজান ও দুদক পরিচালক এনামুল বাছিরের মধ্যে ঘুষ লেনদেনের কথোপকথনের অডিওর ফরেনসিক পরীক্ষার ফল দুদকের কাছে উপস্থাপন করে এনটিএমসি (ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার)। এতে দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের টিম উপস্থিত ছিলেন।

দুদকের চিঠিতে বলা হয়, ‘সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির (বাছির) ঘুষ লেনদেন ও মানিলন্ডারিং সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগের সত্যতা দুদকের অনুসন্ধানে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বক্তব্য নেওয়া একান্ত প্রয়োজন। ইতোমধ্যে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বক্তব্য প্রদানের জন্য তার বরাবর নোটিশ প্রেরণ করা হয়েছে। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায় যে, তিনি সপরিবারে দেশত্যাগ করে অন্য দেশে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। অনুসন্ধান কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য বাছিরের বিদেশ গমন ঠেকানো জরুরি।’

ডিআইজি মিজানের সম্পদের অনুসন্ধান করে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার আগ মুহূর্তে দুদক কর্মকর্তা খন্দকার এনামুল বাছিরের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। ডিআইজি মিজান নিজেই দাবি করেন দুদফায় মোট ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নেন বাছির। একটি বেসরকারি চ্যানেলে এ বিষয়ে অডিও রেকর্ডও ফাঁস করেন তিনি। এ ঘটনার পর খন্দকার এনামুল বাছিরকে সাময়িক বরখাস্ত ও ওই অনুসন্ধানের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয় দুদক।

প্রিয় সংবাদ/কামরুল/রুহুল