হাফিজের সেই বলটি নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক ভিডিও তৈরি করেছে আইসিসি। ছবি: সংগৃহীত

পৃথিবীর সীমা ছাড়িয়ে গেল হাফিজের বল, দেখুন ভিডিও

হাফিজের অদ্ভুত বলে সৌম্যর অদ্ভুত ব্যাটিংয়ের ভিডিওটি মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

মুশাহিদ
সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ০৬ জুলাই ২০১৯, ১৮:২০ আপডেট: ০৬ জুলাই ২০১৯, ১৮:২০
প্রকাশিত: ০৬ জুলাই ২০১৯, ১৮:২০ আপডেট: ০৬ জুলাই ২০১৯, ১৮:২০


হাফিজের সেই বলটি নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক ভিডিও তৈরি করেছে আইসিসি। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) সেমিফাইনালের চার দল অনেকটা চূড়ান্ত হয়ে যাওয়ায় বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার ম্যাচটি রূপ নিয়েছিল শুধুই আনুষ্ঠানিকতায়। নিয়মরক্ষার সেই ম্যাচে শেষ হাসি হেসেছে পাকিস্তান। লিগ পর্বের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশকে ৯৪ রানে হারায় তারা।

৫ জুলাই, শুক্রবার নিয়মরক্ষার ম্যাচে ঐতিহাসিক লর্ডসে মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ-পাকিস্তান। এদিন টস জিতে আগে ব্যাটিং করে ৯ উইকেটে ৩১৫ রানের সংগ্রহ করে পাকিস্তান। জবাবে দেখে-শুনে শুরু করেছিলেন বাংলাদেশের দুই ওপেনার সৌম্য সরকার ও তামিম ইকবাল। মোহাম্মদ হাফিজের করা প্রথম ওভারটি মেডেন হলেও দ্বিতীয় ওভারে মোহাম্মদ আমিরের কাছ থেকে ৮ রান আদায় করেন দুজন।

ইনিংসের তৃতীয় ওভারে আবারও আক্রমণে আসেন হাফিজ। ওভারের প্রথম বলটি স্কয়ার লেগে ঠেলে দিয়ে এক রান নেন তামিম। পরের চার বল থেকে কোনো রান নিতে পারেননি সৌম্য। কিন্তু ওভারের শেষ বলটি করতে গিয়ে হাফিজের হাত ফসকে সেটা লোপ্পা ফুলটসে পরিণত হয়। খানিকটা এগিয়ে এসে সজোরে হাঁকিয়ে বলটিকে বাউন্ডারিতে পাঠান সৌম্য।

হাফিজের এমন অদ্ভুত বলে সৌম্যর অদ্ভুত ব্যাটিংয়ের ভিডিও মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এবার হাফিজের সেই বলটি নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক ভিডিও তৈরি করেছে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।

বিশ্ব ক্রিকেটের সবোর্চ্চ সংস্থাটির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ ও টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা যায়, হাফিজের হাত ফসকে যাওয়া বলটি আকাশে উঠে যায়। পৃথিবীর সীমা ছাড়িয়ে চাঁদ, গ্রহ ও উপগ্রহ হয়ে বলটি নেমে আসে নিচে। তারপর সেই বলে চার হাঁকান সৌম্য।

নিজ দেশের ক্রিকেটারকে নিয়ে বানানো এমন ব্যঙ্গত্মক ভিডিওটি মোটেও ভালোভাবে নেননি পাকিস্তানি সমর্থকরা। আইসিসিকে রীতিমতো ধুয়ে দিচ্ছেন তারা। এই ঘটনায় আইসিসির অপেশাদারিত্ব ও পক্ষপাত দেখছেন তারা। ক্রিকেটের সবোর্চ্চ সংস্থাটি অসহিষ্ণুতা ছড়াচ্ছে বলেও দাবি করেছেন পাকিস্তানের ভক্ত-সমর্থকরা।

প্রিয় খেলা/রিমন