গ্রামীণফোনের কার্যালয়। ছবি: সংগৃহীত

ব্যান্ডউইথ কমানোর প্রতিবাদ গ্রামীণফোনের

বিটিআরসির নির্দেশনাটি এমনভাবে করা হয়েছে যার ফলে নেটওয়ার্কের অধীনে থাকা গ্রাহকদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে, যা মূলত গ্রামীণফোনের ওপর চাপ তৈরি করতেই দেওয়া হয়েছে।

রাকিবুল হাসান
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৭ জুলাই ২০১৯, ১৫:৫৮ আপডেট: ০৭ জুলাই ২০১৯, ১৫:৫৮
প্রকাশিত: ০৭ জুলাই ২০১৯, ১৫:৫৮ আপডেট: ০৭ জুলাই ২০১৯, ১৫:৫৮


গ্রামীণফোনের কার্যালয়। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) দাবি করা বকেয়াকে অমীমাংসিত পাওনা হিসেবে আখ্যায়িত করেছে মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন। একই সঙ্গে বিটিআরসির দাবিকৃত অর্থ না দেওয়ায় অপারেটরটির ৩০ শতাংশ ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ সীমিত করায় প্রতিবাদ জানিয়েছে অপারেটরটি।

গ্রামীণফোনের ভাষ্য, এমন পদক্ষেপ (ব্যান্ডউইথ সীমিত) সম্পূর্ণ বেআইনি এবং এমন অযৌক্তিক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতের শরণাপন্ন হবে গ্রামীণফোন।

সম্প্রতি গ্রামীণফোনের ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ ৩০ শতাংশ কমিয়ে দিতে আইআইজি অপারেটরদের নির্দেশনা দেয় বিটিআরসি। নির্দেশনা সরাসরি গ্রামীণফোনকে দেওয়া না হলেও বিটিআরসি বলছে, অমীমাংসিত অডিট পাওনা আদায় না হওয়া পর্যন্ত ব্যান্ডইউথ সীমিত থাকবে।

গ্রামীণফোন দাবি করেছে, বিটিআরসির নির্দেশনাটি এমনভাবে করা হয়েছে যার ফলে নেটওয়ার্কের অধীনে থাকা গ্রাহকদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে, যা মূলত গ্রামীণফোনের ওপর চাপ তৈরি করতেই দেওয়া হয়েছে। এ নির্দেশনার ফলে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে স্থানীয় ব্যবসায়ী এবং সংশ্লিষ্ট আইআইজি অপারেটরদের ওপর। কারণ নির্দেশনার ফলে রাজস্ব আয় কমার পাশাপাশি ব্যবসায়িক সুযোগ হারাবে প্রতিষ্ঠানগুলো যদিও পুরো বিষয়টির ওপর তাদের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই।

এ বিষয়ে গ্রামীণফোনের সিইও মাইকেল ফোলি বলেন, ‘এ নির্দেশনা বাংলাদেশের মানুষ এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করবে। আমরা বিটিআরসিকে এ নির্দেশনা তুলে নেওয়ার অনুরোধ করছি এবং সেই সাথে সালিশ আইন, ২০০১-এর অধীনে অমীমাংসিত অডিট দাবির নিষ্পত্তিতে সহযোগিতার অনুরোধ করছি।’

গ্রামীণফোন আরও জানিয়েছে, অমীমাংসিত অডিট দাবির গঠনমূলক নিষ্পত্তির জন্য প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বিটিআরসিকে একটি সালিশ নোটিশ পাঠানো হয়েছে। নোটিশের বিষয়ে এখন পর্যন্ত নীরব ভূমিকা পালন করছে বিটিআরসি।

এদিকে শুধু গ্রামীণফোনকেই নয়, বকেয়া না পরিশোধ করায় অপর মোবাইল অপারেটর রবির ১৫ শতাংশ ব্যান্ডউইথ সক্ষমতা বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

প্রিয় প্রযুক্তি/রিমন