একজন ব্যবহারকারীর হাতে হুয়াওয়ের লোগো সম্বলিত স্মার্টফোন এবং পেছনে চীনের পতাকা। ছবি: সংগৃহীত

হুয়াওয়ের ভেতর গুপ্তচর!

এ বিষয়ে হুয়াওয়ে জানিয়েছে, যাদের মিলিটারি বা সরকারি কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাদের চাকরি দেওয়ার ক্ষেত্রে কঠোর নীতি অবলম্বন করে হুয়াওয়ে।

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ০৮ জুলাই ২০১৯, ১৩:২৭ আপডেট: ০৮ জুলাই ২০১৯, ১৩:২৭
প্রকাশিত: ০৮ জুলাই ২০১৯, ১৩:২৭ আপডেট: ০৮ জুলাই ২০১৯, ১৩:২৭


একজন ব্যবহারকারীর হাতে হুয়াওয়ের লোগো সম্বলিত স্মার্টফোন এবং পেছনে চীনের পতাকা। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) প্রযুক্তি জায়ান্ট হুয়াওয়েকে নিয়ে ঘটন-অঘটন থামছে না। হুয়াওয়ের প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কিছুটা সুদৃষ্টির পরই নতুন তথ্য প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যমগুলো। এবারের প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, হুয়াওয়ের ভেতরেই গুপ্তচর রয়েছে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সিএনবিসি ‘হুয়াওয়ে স্টাফ শেয়ার ডিপ লিঙ্কস উইথ চাইনিজ মিলিটারি’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়, হুয়াওয়ের কিছু কর্মীদের সঙ্গে চীনের মিলিটারি এবং গোয়েন্দা সংস্থার গভীর সম্পর্ক রয়েছে। কর্মীদের জীবন বৃত্তান্ত বা সিভি বিশ্লেষণ করে এমন তথ্য জানা গেছে।

আর এসব সিভি বিশ্লেষণ করেছেন ভিয়েতনামের ফুলব্রাইট ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক ক্রিস্টোফার বালডিং এবং লন্ডনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হেনরি জ্যাকসন সোসাইটি। জানা গেছে, তারা নিয়োগ সংস্থার লিক হওয়া ও অসুরক্ষিত ডাটাবেজ থেকে এসব তথ্য পেয়েছেন।

ক্রিস্টোফার জানিয়েছেন, হুয়াওয়ের মিডলেভেল টেকনিক্যাল কর্মীদের পূর্ব জীবনবৃত্তান্ত বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, তাদের সঙ্গে চীনের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে গভীর সম্পর্ক রয়েছে। এদের মধ্যে কেউ কেউ পশ্চিমা সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে পরিচালিত শিল্প গুপ্তচরবৃত্তি বা হ্যাকিংয়ের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে।

উদাহরণ হিসেবে একাধিক সিভির কথা উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়, একজন ব্যক্তি হুয়াওয়েতে পদ নিয়ে বসে রয়েছেন। ওই ব্যক্তিই একটি মিলিটারি ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষকতা এবং গবেষণার কাজ করে থাকেন।

এ বিষয়ে হুয়াওয়ে জানিয়েছে, যাদের মিলিটারি বা সরকারি কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাদের চাকরি দেওয়ার ক্ষেত্রে কঠোর নীতি অবলম্বন করে হুয়াওয়ে। এর মধ্যে একটি হলো, তারা যে সরকার বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে তার প্রমাণাদি দিতে হয় হুয়াওয়েকে।

প্রিয় প্রযুক্তি/আশরাফ