সাকিব আল হাসান। ছবি: সংগৃহীত

এমসিসির আমন্ত্রণে লডর্সে বসে ফাইনাল দেখবেন সাকিব

বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার ছাড়াও এমসিসির বাকি সদস্যরাও এদিন লর্ডসের বিখ্যাত প্যাভিলিয়নে উপস্থিত থাকবেন।

মুশাহিদ
সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ১৪ জুলাই ২০১৯, ১৬:০৪ আপডেট: ১৪ জুলাই ২০১৯, ১৬:০৯
প্রকাশিত: ১৪ জুলাই ২০১৯, ১৬:০৪ আপডেট: ১৪ জুলাই ২০১৯, ১৬:০৯


সাকিব আল হাসান। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) ২০১৭ সাল থেকেই মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাবের (এমসিসি) বিশ্ব ক্রিকেট কমিটির সদস্য সাকিব আল হাসান। সেই সুবাদে এখন পর্যন্ত বেশ কয়েকবার এমসিসির সভায় উপস্থিত থাকার সুযোগ হয়েছে সাকিবের। এবার সাকিব সুযোগ পাচ্ছেন লর্ডসের বিখ্যাত প্যাভিলিয়নে বসে বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখার।

অপেক্ষার পালা শেষ হয়েছে ইতোমধ্যেই। ১৪ জুলাই, রবিবার ঐতিহ্যবাহী লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ডে চলমান ফাইনালের মহারণে মুখোমুখি হয়েছে নিউজিল্যান্ড ও স্বাগতিক ইংল্যান্ড। এ ম্যাচের মধ্য দিয়ে শেষ হবে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে চলমান বিশ্বকাপের ১২তম আসর।

এমসিসির আমন্ত্রণে লর্ডসে চলমান বিশ্বকাপের ফাইনালে উপস্থিত থাকবেন সাকিব। বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার ছাড়াও এমসিসির বাকি সদস্যরাও এদিন লর্ডসের বিখ্যাত প্যাভিলিয়নে উপস্থিত থাকবেন।

লর্ডসের বেলকনির ঠিক পাশে বিখ্যাত প্যাভিলিয়নের অবস্থান। অর্থাৎ বেলকনি থেকে বের হয়ে যে পথ দিয়ে ক্রিকেটারেরা মাঠে ঢোকেন, সেটার পাশে লর্ডসের প্যাভিলিয়ন। এ প্যাভিলিয়নে সাধারণ দর্শকদের প্রবেশাধিকার নেই। কেবল এমসিসির সদস্যরাই এখানে বসে ম্যাচ দেখার সুযোগ পান। লর্ডসে ম্যাচ হলে প্যাভিলিয়নে সব সময়ই সরব উপস্থিতি থাকে এমসিসির সদস্যদের।

২০১৭ সালে প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে এমসিসির বিশ্ব ক্রিকেট কমিটিতে জায়গা পান সাকিব। সাকিব ছাড়াও এমসিসির ১৫ সদস্যের প্যানেলে রয়েছেন মাইক গ্যাটিং, রিকি পন্টিং, কুমার সাঙ্গাকারা (এমসিসির বর্তমান প্রেসিডেন্ট), ইয়ান বিশপ, রডনি মার্শ, ব্রেন্ডন ম্যাককালাম, শেন ওয়ার্ন ও সৌরভ গাঙ্গুলির মতো তারকা ক্রিকেটাররা।

সেমিফাইনালে খেলার লক্ষ্য নিয়ে এবারের বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু লিগ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয় মাশরাফি বিন মুর্তজার দলকে। লিগ পর্বের ৯ ম্যাচের মধ্যে মাত্র তিনটিতে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। এ ছাড়া একটি ম্যাচ পরিত্যক্ত হয় বৃষ্টিতে। সবমিলিয়ে ৭ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার অষ্টম অবস্থানে থেকে বিশ্বকাপ মিশন শেষ হয়েছে মাশরাফি-সাকিব-তামিমদের।

লিগ পর্ব থেকে বিদায় নিলেও বিশ্বকাপজুড়ে উজ্জ্বল ছিলেন সাকিব। ব্যাটে-বলে সমানতালে আলো ছড়িয়েছেন তিনি। আট ম্যাচে তুলে নিয়েছেন দুটি সেঞ্চুরি ও পাঁচটি হাফ সেঞ্চুরি। বাকি ম্যাচটিতে আউট হয়েছেন ৪১ রানে। সবমিলিয়ে ৮৬.৫৭ গড়ে তার নামের পাশে রয়েছে ৬০৬ রান। এ ছাড়া বল হাতে নিয়েছেছেন ১১ উইকেট।

প্রিয় খেলা/আশরাফ

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...